প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২২, ২০২৬, ২:১১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১, ২০২০, ১২:২৫ পি.এম
বগুড়া শেরপুর-ভবানীপুর বাইপাস রাস্তার বেহাল অবস্থা , মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই

এম.এ রাশেদ বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী ইউনিয়নের শেরুয়া বটতলা থেকে ধুনটমোড় বাইপাস ও শেরুয়া বটতলা থেকে ভবানীপুর রাস্তাটির বেহাল অবস্থা। আর এই রাস্তাটি দিয়ে শেরপুর উপজেলার শাহবন্দেগী, মির্জাপুর, ভবানীপুর, ইউনিয়নের শতাধিক গ্রামের মানুষের শহরের সঙ্গে সংযোগের এবং চলাচলের মাধ্যম। কিন্ত এখন তা এতই বেহাল যে, দূর থেকে তাকালে মনে হবে রাস্তা নয়, যেন একটি মরা খাল। দীর্ঘদিন ধরে এরাকাবাসী রাস্তাটি মেরামতের দাবি জানালেও তা পূরণ হয়নি।
জানা যায়, বগুড়ার শেরপুর উপজেলার ১০নং শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের শেরুয়া বটতলা বাজার থেকে শুরু করে ১ কিলোমিটার পাকা রাস্তা ও শেরুয়া বটতলা থেকে ফরেস্ট রোড হয়ে ধুনটমোড় তালতলা পৌছানোর রাস্তাটির বেহাল অবস্থা। এই রাস্তা দিয়ে দেড় শতাধিক গ্রামের মানুষ চলাচল করে। গত ২ বছরেও সংস্কার বা মেরামত না হওয়ায় বড় বড় খানাখন্দক ও গর্তে পরিণত হয়েছে রাস্তাটি। সামান্য বৃষ্টিতেই কাঁদামাটিতে একাকার হয়ে যায় রাস্তাটি। পানি নিষ্কাশনের কোন সু-ব্যবস্থা না থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই দীর্ঘদিন যাবৎ নানা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে মৎস্য খামার, বাছাই মিল, চাতাল ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও এলাকার বাসিন্দাদের।
ব্যস্ততম এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন কৃষক তার পণ্য নিয়ে হাট বাজারে যান। এই রাস্তাটিতে প্রায় ৩০ থেকে ৪০টি ছোট বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কেউ অসুস্থ্য হলে এই রাস্তা দিয়েই হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয়। এই রাস্তাই এসব মানুষের চলাচলের একমাত্র মাধ্যম। কিন্তু মেরামতের অভাবে এখন চলাচল অযোগ্য। যানবাহন দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও এখন এ রাস্তা দিয়ে চলাচল করা কষ্টকর। ফলে ব্যবসায়ীরা তাদের মালামাল নিয়ে এই রাস্তা দিয়ে যেতে পারছেনা। কৃষক মাঠে উৎপাদিত তাদের পণ্য হাটবাজারে নিতে পারেনা না। পথচারীদের চরম কষ্টে যাতায়াত করতে হচ্ছে। এ ভোগান্তির শেষ নেই।
সিএনজি চালক রাজু আহম্মেদ বলেন, আমরা হাইওয়ে দিয়ে সিএনজি চালাতে পারিনা এই বাইপাচ দিয়ে ভবানীপুর পর্যন্ত চলতে হয়। কিন্তু এই রাস্তার বেহাল অবস্থা হওয়ায় যাত্রি নামিয়ে দিয়ে কষ্ট করে পার হতে হয়। অনেক সময় সিএনজি উল্টে যায়। এলাকার ব্যবসায়ী নুরু, শামিম, রায়হান, পারভেজ জানান, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি সংস্কারের দাবি জানাচ্ছি এলাকাবাসী। আমরা সরকারের বিভিন্ন দফতরে বহুবার অভিযোগ দিয়েছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাইনি।
১০নং শাহবন্দেগী ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড সদস্য ছানোয়ার হোসেন জানান, রাস্তাটি দ্রুত মেরামতের দাবিতে এ নিয়ে গত জুন ২০১৯ সালে ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান আল আমিন সরকার বলেন, ওইসব এলাকায় রাস্তাটি সংস্কার করতে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করতে হবে। ড্রেনেজ ব্যবস্থা তৈরী করতে বড় অর্থের প্রয়োজন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মো. লিয়াকত আলী সেখ বলেন, সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানের দেওয়া প্রকল্পের মাধ্যমে শীর্ঘই ভূক্তভোগীদের সমস্যা সমাধান করা হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.