
আব্দুর রউফ রুবেলঃ গাজীপুরের শ্রীপুরে ৩০০ ফিট রাস্তার বেহাল দশার কারণে দূর্ভোগে রয়েছে কয়েকশত পরিবারের হাজারো মানুষ। প্রতিদিন ছোটখাটো দূর্ঘটনার কবলে পড়ছে মানুষগুলো। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে রয়েছে কারখানায় কাজ করা শ্রমিক, স্কুল পড়ুয়া শিশু এবং বৃদ্ধরা।
সরেজমিনে গিয়ে এমনি দৃশ্য দেখা যায়, শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের তালতলি স্কুল হতে সাইটালিয়া মোড়লপাড়া মসজিদ পর্যন্ত রাস্তাটির তালতলি এবং সাইটালিয়া অংশে ৫০০ ফিট করে ইটের সলিং রয়েছে।কিন্তু মাঝখানের প্রায় ৩ হাজার ফিট রাস্তা একেবারেই কাচা। তার মধ্যে মোস্তফা কামালের বাড়ির কাছের অংশের রাস্তা একেবারেই চলাচলের অনুপযোগী। অথচ এ রাস্তাটি দিয়ে প্রতিদিন শতশত গার্মেন্টস কর্মী চলাচল করে। বর্তমানে চলাচল করার রাস্তাটি মরণফাঁদ হয়ে দাড়িয়েছে ।
এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করে স্থানীয় লোকসহ সাইটালিয়া, ছাতিরবাজারে কর্মরত কয়েকশত কারখানার শ্রমিক। কিন্তু বর্তমানে রাস্তাটির বেহাল দশার কারণে বিপাকে শ্রমজীবী মানুষেরা। তালতলি গ্রামের ভুক্তভোগী মোস্তফা কামাল জানান, তিনশো ফিট রাস্তার জন্য আমরা খুবই কষ্টে আছি। জনপ্রতিনিধিদের জানানোর পরও কোন ব্যবস্থা তারা নিচ্ছে না। এখানে যদি কয়েক গাড়ি ইটের খোয়া ফেলা হতো তাহলেও চলাচল করা অনেকটা সুবিধা হতো।
এলাকার ভুক্তভোগী কয়েকজন জানান, সামান্য একটু রাস্তার জন্য আমাদের অনেক ঘুরে চলাচল করতে হয়। এতে আমাদের মহামূল্যবান সময় নষ্ট হয়। আবার পিছলে পড়ে কাপড়চোপর নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বড় কোন দূর্ঘটনা ঘটতে পারে যে কোন সময়।কয়েকজন গার্মেন্টস কর্মী জানান, এই রাস্তায় চলাচল করতে ভয় লাগে। যে কোন সময় পড়ে গিয়ে ঘটতে পারে দূর্ঘটনা। রাস্তার কারণে সময়মত অফিসে যেতে পারি না।
তেলিহাটি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড সদস্য নাসির উদ্দিন জানান বর্তমানে করোনার কারণে উন্নয়ন কাজগুলো স্থগিত রয়েছে। যদি বরাদ্দ পাই তাহলে রাস্তাটির সংস্কার কাজ করা হবে। ইউনিয়ন সচিবের সাথে কথা বলেছি উনি বলেছেন খুব শীঘ্রয়ই উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।
তেলিহাটি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল বাতেন সরকার জানান,বর্তমানে কোন বরাদ্দ না থাকায় এ মুহূর্তে কিছু করা সম্ভব হচ্ছে না তবে বরাদ্দ পাওয়ার পর যত দ্রুত সম্ভব রাস্তাটির কাজ শুরু হবে। এ বিষয়ে ঐ(৩ নং)ওয়ার্ডের মেম্বাররের সাথে পরামর্শ করে রাস্তাটির উন্নয়ন কাজ শুরু হবে।