
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব ( কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ ভৈরবে পৃথক অভিযানে আরো দুই নৌ ডাকাত কে গ্রেফতার করেছে ভৈরব নৌ থানা পুলিশ । গতকাল ১৬ আগস্ট রবিবার পৃথক পৃথক অভিযানে তাদেরকে আটক করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো নরসিংদী রায়পুরা উপজেলা মাঝেরচর গ্রামের মন্না মিয়ার পুত্র জুলহাস ওরফে বিল্লাল( ৩৫) ও ভৈরবের আগানগর ইউনিয়নের আপানগর গ্রামের সাদেক মিয়ার পুত্র সাগর ( ২৫) । গ্রেফতারকৃরা একাধিক নৌ-ডাকাতি মামলার আসামি বলে জানায় নৌ পুলিশ।গ্রেফতারকৃতদের ডাকাতি মামলায় কিশোরগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরণ করেছে নৌ-থানা পুলিশ ।
উল্লেখ্য যে, গত ৫ আগষ্ট একই মামলার এজাহারভূক্ত আসামি ছাগাইয়া থেকে নুরু মিয়ার ছেলে দেলু মিয়া (৩৮) ও পরে তার স্বীকারোক্তিনুযায়ী ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার চরচার তলা এলাকার আব্দুল জলিল মিয়ার পুত্র রাসেল মিয়া (৩১)কে গ্রেফতার করে এবং ডাকাতি হওয়া ৪টি মহিষ ও ১টি গরু উদ্ধার করা হয় । এ নিয়ে এ মামলার ৪ আসামিকে গ্রেফতার করেছে নৌ-থানা পুলিশ ।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ রোববার ভোরে ভৈরব নৌ-থানার উপ-পরিদর্শক রাসেল মিয়া সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে প্রথমে জুলহাস ওফে বিল্লালকে শিমুলকান্দি থেকে গ্রেফতার করে । পরে সাগর কে আগানগর থেকে গ্রেফতার করে । ভৈরব নৌ-পুলিশ জানায়,পবিত্র ঈদুলআজহার দিন শনিবার সকালে ভৈরব থেকে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামের নৌকা করে একদল গরু বেপারী ৪টি মহিষ,১টি গরু ও নগদ টাকা বহন করে নিয়ে যাচ্ছিল ।
মেঘনা নদীর আশুগঞ্জ প্রান্তে ৭/৮ জনের ডাকাত দল তাদেরকে ধাওয়া করে। ডাকাত দল গরু বেপারীর নৌকাটিকে আটকিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে ৪টি মহিষ,১টি গরু ও নগদ ২লক্ষ ৪৫হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পরে ঈদুলআজহার দিন শনিবাওে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ থানায় ৭/৮জনের নাম উল্লেখ করে ডাকাতি মামলা দায়ের করা হয় ।

আরও পড়ুন
নাগরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজায়নের নতুন প্রত্যয়
ব্যাংক চেক-সংক্রান্ত মামলায় হয়রানি রোধে আইন সংস্কারের দাবি, সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল