
মুহা. সাইফুল্লাহ (কিশোরগঞ্জ থেকে): কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলাকে ইতিহাস ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ করেছে ব্রহ্মপুত্র নদ। কিন্তু প্রতি বৎসর বর্ষার কৃত্তিম বন্যা সৃষ্টি হয়ে নদটি দুঃখের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায় তীরবর্তী বাসিন্দাদের জন্য। সম্প্রতি, চরফরাদী ও জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের গ্রামের একাংশ এই বন্যায় প্লাবিত দৃশ্য।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অতিবৃষ্টি ও বন্যার পানিতে ব্রহ্মপুত্র নদ পানিতে ফুলে উঠে নদী ভাঙ্গণ ও নদী সংলগ্ন ফসলী জমি, ঘরবাড়ি ও রাস্তাঘাটের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নদীর পানি ফুলে-ফেঁপে- ফুঁসে নদী সংলগ্ন বাড়ীগুলোতেও পানি উঠেছে।
পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া চড়পাড়া, চরফরাদী, চরতেরটেকিয়া, চরকাওনা, গোল্লারচর, ঝাউগারচর, তারাকান্দি, মির্জাপুর, কুমারপাড়া, চরপাকুন্দিয়া, মুনিয়ারিকান্দা সহ অন্যান্য এলাকা, রাস্তাঘাট, ফসলী জমি প্লাবিত হয়ে বন্যার পানি অসহায় মানুষদের ঘরবাড়িতে উঠে এসেছে। নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছেনা এসব অঞ্চলের মানুষজন।
প্রতিবৎসর নদী ভাঙ্গণ ও কৃত্তিম বন্যায় স্বাভাবিক জীবন বাঁধাগ্রস্থ হয় ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চলের এসব মানুষদের। এ ব্যাপারে সচেতন মহল ও সরকারের দ্রুত কোন প্র
পদক্ষেপ কামনা করছে ভুক্তভোগী এবং জনসাধারণ।
ভুক্তভোগীদের জোর দাবি দ্রুত নদী ভাঙনরোধ ও মাটি ভরাটের কাজ করা হোক। অন্যথায় প্রাণহানির সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে এলাকাবাসীর দাবি পূরণের প্রতিশ্রুতি স্বরূপ নদী ভাঙন এলাকা মাটি ভরাটের কাজ করে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনের মাননীয় সাংসদ নূর মোহাম্মদ। গতকাল শনিবার চরফরাদী ও জাঙ্গালিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন প্লাবিত এলাকা পরিদর্শন ও মাটি ভরাটের কাজ উদ্ভোধন করেছেন তিনি।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. নাহিদ হাসান, উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ লোহানী (ডাবলু) সহ পাকুন্দিয়া উপজেলা, চরফরাদী ইউনিয়ন, জাঙ্গালিয়া ইউনিয়ন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।