
অনেক নিচু জায়গার পাট সহ অন্য ফসল তলিয়ে গেছে। করোনায় শ্রমিক সংকট না হলেও গুনতে হচ্ছে চরা মূল্য,জনপ্রতি ৪০০-৫০০ টাকা প্রতিদিন। আধুনিক নানা পদ্ধতি কৃষি কাজে যোগ হলেও পাট কাটা ও আশঁ ছাড়াতে এখনো ব্যবহার হচ্ছে সনাতন পদ্ধতি। বাঁশভাগের কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন আগাম বন্যার জন্য অপরিপক্ক পাট কাটায় ফলন কম হচ্ছে, সেই সাথে শ্রমিক খরচ বেশি হওয়ায় লোকশানের শংকায় আছেন তারা।
আরেক কৃষক আঃ সোবহান বলেন বাজারে বর্তমানে ২০০০-২৫০০ টাকা মণ বিক্রি হচ্ছে পাট,এই বাজার স্থিতিশীল রাখতে পারলে লোকশান থেকে রক্ষা পাবেন তারা। এছাড়াও তাদের দাবি করোনাকালিন এবং দূর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঠিক তালিকা করে অতি তারাতারি প্রণোদনার আওতায় আনতে।