হোম » আইন-আদালত » গোবিন্দগঞ্জের বানিহারা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

গোবিন্দগঞ্জের বানিহারা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে মিথ্যা মামলার অভিযোগ

রিকন রেজুয়ানঃ গোবিন্দগঞ্জের বানিহারা গ্রামে তুচ্ছ ঘটনা কে কেন্দ্র করে মিথ্যা ঘটনা‌য় মামলার অভিযোগ গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার শাখাহার ইউনিয়নের একটি পরিবারের মধ্যে সামান্য কথাটা দেখে কেন্দ্র করে বাবলু সরকার প্রতিপক্ষকে আঘাত করার জন্য নুর আলম এর দোকানের ঝাপের লাঠি হ্যাছকা টান দিয়ে নেওয়ার সময় ঝাপ মাথায় পড়ে লোহা দ্বারা আহত হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ংবাদির আত্মীয়-স্বজন এবং ভাই, চাচা জেঠাগন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে ১১ই সেপ্টেম্বর ২০২২ রাত্রি অনুমান সারে দশ ঘটিকার সময় মামলার বাদী বাবলু সরকার বৈরাগীরহাট থেকে গরু বিক্রি করে এক লক্ষ পঁচিশ হাজার টাকা সহ মোটর সাইকেল যোগে বানিহারা মৌজার জামে মসজিদের সামনে পৌঁছালে আসামিগণ তাকে ঘিরে ধরে মারপিট করিয়া মাথায় পর পর চোট মাড়িয়া রক্তাক্ত জখম করে এবং তার নিকট থেকে এক লক্ষ ২৫ হাজার টাকা বাহির করিয়ে নেয়।

এ ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন বৈরাগী হাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের এসআই সাইদুর রহমান কে তদন্তের জন্য ওসি গোবিন্দগঞ্জ থানা নির্দেশনা দেন।
এলাকাবাসী এবং ভুক্তভোগীদের অভিযোগ তদন্তকারী এসআই সাইদুর রহমান ঘটনার বিষয়ে তদন্ত না করে এবং ঘটনাস্থলে না যে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দিয়ে মামলাটি রেকর্ড করেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী শত শত নারী পুরুষ। এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলাধীন বৈরীহাট পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের আইসি মিলন চ্যাটার্জি কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি জানেন না বলে এই প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন।
বিষয়টি গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইজার উদ্দিন মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করের কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বাবলু সরকারের মামলার বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। পত্রিকার প্রতিনিধি ২০ সেপ্টেম্বর/২২ বিকালে উক্ত ঘটনার স্থলে পৌছিলে বানিহারা গ্রামবাসি ও এলাকার নারী পুরুষ মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গোবিন্দগঞ্জ থানার মামলা নং ২৬/ ৪৮০ তারিখ ১৫ ই সেপ্টেম্বর ২০২২। সুষ্ট তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মামলার বাঁদির আত্মীয়-স্বজন এবং আসামিদের আত্মীয়-স্বজন সহ ইউনিয়ন পরিষদের সম্মানিত সদস্য ও প্রতিনিধিবৃন্দ। এ বিষয়ে মামলার বাদী বাবলু সরকার কে পাওয়া যায় নাই। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সাইদুর রহমানকে মুঠোফোনে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন মামলার বাদি আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

১১ই সেপ্টেম্বর ২০২২ রাত অনুমান ১০ ঘটিকার সময় বানিহারা গ্রামে বাদী ও আসামিদের মধ্যে তুচ্ছ ঘটনায় কথাকাটাকাটিকে কেন্দ্র করে ঝাপের লাঠি দিয়ে বাবলু মিয়া উদ্যত হয়ে তার ভাগিশরিক শহিদুল ইসলাম কে আঘাত করার জন্য নুর আলমের দোকানের ঝাপের লাঠি দিয়ে মারপিঠেের চেষ্টা করলে দোকানের ঝাঁপ মাথায় পড়ে আঘাত প্রাপ্ত হয় বলেও এলাকাবাসী এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিমত।

তুচ্ছ ঘটনাকে অতিরঞ্জিত করে বাবলু সরকার নির্দোষ মানুষদের ফাঁসাতে সুজন সরকার, ফরিদুল ইসলাম, নুর আলম সহ শহিদুল কে আসামি করে মামলা দায়ের করেন ও অবৈধ ফায়দা হাসিলের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে বলেও সর্বস্তরের মানুষের অভিযোগ।

বাবলু সরকার কর্তৃক মামলার প্রত্যক্ষ সাক্ষী শেখ সাদী, সদস্য শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদ ৫ নং ওয়ার্ড  সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাব এ বলেন তিনি ঘটনার প্রত্যক্ষ দর্শি। ঘটনার সময় কারো হাতে কোন প্রকার ধারাল অস্ত্র দেখেন নাই কিংবা টাকা বের করে নেওয়ার ঘটনা জানেন না। ৩ নং শাখাহার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব জাহাঙ্গীর আলমকে এ বিষয়ে সাক্ষাতে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন এইমাত্র তিনি ঘটনাটি শুনলেন। এর আগে তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না।

এলাকার সর্বস্তরের মানুষ উক্ত মামলাটি সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!