
আওয়াজ অনলাইন: ইরান-সৌদি আরব সম্পর্কে যখন সুবাতাস বইছে, তখন আরব বিশ্বের অন্যতম ধর্নাঢ্য দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহ দেখালো চিরশত্রু ইসরাইলাও।
সোমবার জেরুজালেমে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতা লিন্ডসলে গ্রাহামের সঙ্গে বৈঠকের সময় সৌদির সঙ্গে ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে আগ্রহের কথা জানান বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু।
ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, সৌদির সঙ্গে যদি ইসরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন হয়, তাহলে আরব-ইসরায়েল দ্বন্দ্ব বন্ধ হওয়ার পথ সুগম হবে।
তিনি লিন্ডসলে গ্রাহামকে বলেন, আমরা সৌদি আরবের সঙ্গে শান্তি ও কূটনৈতিক সম্পর্ক চাই। ইসরাইল-আরব দ্বন্দ্ব বন্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে এটিকে আমরা বড় ধাপ হিসেবে দেখি।
২০২২ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সহায়তায় আব্রাহাম চুক্তির মাধ্যমে আরব বিশ্বের কয়েকটি দেশ ইসরাইলে সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
তবে, ইহুদিবাদী ইসরাইলে প্রধান লক্ষ্য ছিলো, সৌদি আরবের সঙ্গে এক হওয়া। আর সেই কথা জানিয়ে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল-সৌদি সম্পর্ক হলে সেটি হবে ঐতিহাসিক।
সৌদি আরব সব সময় বলে আসছে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে হলে, ইসরাইলকে সবার আগে ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান করতে হবে। তাহলেই সম্পর্ক হতে পারে।
এদিকে গত মাসে ইসরাইলের চরম শত্রু ইরানের সঙ্গে আবারও কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ঘোষণা দেয় সৌদি আরব।
চীনের মধ্যস্থতায় দীর্ঘ সাত বছর পর আবার এ দু’টি মুসলিম দেশ এক হওয়ার ঘোষণা দেয়। এ বিষয়টি নেতানিয়াহুর জন্য বড় একটি ধাক্কা হিসাবে হিসাবে দেখা হচ্ছে।
ইরান-সৌদি এক হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে দ্রুত সময়ের মধ্যে স্থিতিশীলতা ফিরে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইরানের মতো আরও কিছু সৌদির সাথে এক হতে চাইছে।