
আওয়াজ অনলাইন: নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেসিন্ডা আরডার্ন। নারী হিসেবে তিনি অনেক দক্ষ ও পরিশ্রমী। রাষ্ট্র পরিচালনায় রয়েছে তার অসাধারণ কারিশমা। দীর্ঘদিন ধরে তিনি নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রির দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এক সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, প্রধানমন্ত্রি জেসিন্ডা আরডার্ন আগামী ফেব্রুয়ারি মাসের দিকে পদত্যাগ করবেন। আজ বৃহস্পতিবার তিনি এ ঘোষণা দিয়েছেন বলে জানা যায়।
তবে তার পদত্যাগের বিষয়টি স্পষ্ট নয় এমন খবরও উঠে এসেছে বিভিন্ন গণমাধ্যমে।

লেবার পার্টির সদস্যদের একটি সভায় তিনি বলেন, আমার জন্য এটিই সময়। আরও চার বছরের জন্য আমার ভান্ডারে যথেষ্ট কিছু নেই।
২০১৭ সালে জোটগত সরকারে প্রধানমন্ত্রী হয়েছিলেন আরডার্ন।
এক মাস আগে পার্লামেন্টের গ্রীষ্মকালীন অবকাশের পর প্রথমবার জনসমক্ষে আসেন আরডার্ন। তিনি লেবার পার্টির সাংগঠনিক কমিটির বার্ষিক সভায় বলেন, ছুটিতে থাকাকালে নেতৃত্ব চালিয়ে যাওয়ার জন্য শক্তি ফিরে পাবেন বলে আশা করেছিলেন, ‘কিন্তু আমি তা করতে পারিনি’।
পদত্যাগের পেছনে কোনো রহস্য নেই জানিয়ে আরডার্ন বলেন, আমি একজন মানুষ। আমরা যতদিন পারি ততদিন দিই এবং তারপরে সময় হয়। আমার জন্য, এটিই সময়।
তিনি বলেন, আমি চলে যাচ্ছি। কারণ, এই ধরনের বিশেষ সুবিধাযুক্ত চাকরির সঙ্গে বড় দায়িত্ব থাকে। আপনি কখন নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য উপযুক্ত এবং কখন নন, তা জানাটাও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।
তবে নিউজিল্যান্ডের রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের ধারণা আরডার্ন রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চাইছেন কিন্তু বাইরের কোনো চাপ তিনি নিতে পারছেন না।
তারা এমন কি একথাও বলেছে যে, আরডার্ন সম্পূর্ণরুপে দেশ ও দেশের নাগরিককে পরিচালনা করার সক্ষমতা রাখে। দলীয় কোন্দল তাকে বিষিয়ে তুলছে তাই পদত্যাগের ঘোষণা তিনি দিয়েছেন। কিন্তু এটি বাস্তবসম্মত হবে না বলে তারা দাবি করেন।

আরও পড়ুন
নতুন করে লেবাননে মুহুর্মুহু হামলা
পশ্চিমবঙ্গে বড় জয়ের পথে বিজেপি, এগিয়ে ১৯২ আসনে
ইরানের নতুন প্রস্তাবে খুশি নন ট্রাম্প