
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
এক কালে তরুণ পারেকের স্বপ্ন ছিল এমবিএ করে বড় করপোরেট অফিসে বসে টাই পরে কাজ করবেন। কিন্তু ভাগ্য বোধহয় চেয়েছিল, তিনি বাইক নিয়ে ব্যস্ত রাস্তায় ছিনতাই করেই ক্যারিয়ার গড়ুন।
রাজস্থানের জয়পুরে দিনের আলোয় এক মহিলার গলা থেকে চেন ছিনতাইয়ের পর পুলিশ যখন সিসিটিভি ঘেঁটে চোরকে ধরল, তখন আবিষ্কার হলো—এই চোর সাহেব ‘বিবিএ পাস’। নাম তরুণ পারেক। বয়স কম, আশা-আকাঙ্ক্ষা বেশি। কিন্তু তার চেয়েও বেশি ছিল স্ত্রীর "শপিং ইনস্টিংক্ট"।
তরুণ পুলিশকে জানান, বিবাহিত জীবনের এক মাসেই বুঝে ফেলেন—এটা শুধুই ‘ঘর-সংসার’ না, এটা একটা ‘ইএমআই-ময় যুদ্ধক্ষেত্র’। স্ত্রীর চাহিদা ছিল মোটামুটি ‘বেগমপাড়া লেভেল’। চাকরির বেতনে চলছিল না, তাই সিদ্ধান্ত নিলেন—যেহেতু আয় বাড়াতে পারছি না, ব্যয় অনুযায়ী আয়ই শুরু করি! আর সেই আয় হলো ছিনতাইয়ের মাধ্যমে।
চাকরি ছেড়ে পুরো সময়ের চোর পেশায় যোগ দেন তরুণ। গলা থেকে চেন, ব্যাগ থেকে মোবাইল—সবই তার প্রিয় ‘টার্গেট’। প্রেম-ভালোবাসা আর ব্যাগ থেকে সোনা নিয়ে সংসার চলছিল রোমাঞ্চকরভাবে—যতক্ষণ না পুলিশ এসে সেই রোমাঞ্চের "ক্লোজিং সেল" করে দেয়।
এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া। কেউ বলছে—“এই যুগে স্ত্রীকে সুখে রাখতে না পারলে সমাজই তো বলে, তুমি ব্যর্থ!” কেউ আবার পরামর্শ দিয়েছে, “বিয়ে করার আগে ব্যাঙ্ক ব্যালেন্স আর ক্রেডিট লিমিট যাচাই করো।”
শেষমেশ প্রশ্ন থেকে যায়—এই ঘটনার আসল অপরাধী কে? স্ত্রীর বিলাসিতা, স্বামীর দুর্বলতা, না সমাজের অদ্ভুত ‘লাক্সারি সংস্কৃতি’?