হোম » শিরোনাম » ঘূর্ণিঝড় হামুন, কক্সবাজারে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত 

ঘূর্ণিঝড় হামুন, কক্সবাজারে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত 

মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী, কক্সবাজার : সাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত উত্তাল রয়েছে। ঘূর্ণিঝড় হামনের কারণে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলেছেন আবহাওয়া অফিস। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন জেলা প্রশাসন।এদিকে  সমুদ্রসৈকতে আগত পর্যটকদের সাগরে নামতে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে। 
মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় কক্সবাজার আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ মোহাম্মদ ইমাম উদ্দিন জানান, ঘূর্ণিঝড় হামুন মঙ্গলবার বিকাল সাড়ে ৫ টা পর্যন্ত কক্সবাজার উপকূল থেকে  ২৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ – দক্ষিণ পশ্চিমে অবস্থান করছে। ঘূর্ণিঝড় হামুনের প্রভাবে সোমবার রাত থেকে কক্সবাজার ও উপকূল এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া মঙ্গলবার ও আগামীকাল বুধবার কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলসহ সারাদেশে ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে । ৬ নম্বর সংকেত নামিয়ে কক্সবাজার সমুদ্র বন্দরকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হচ্ছে।
ঘূর্ণিঝড় পরিস্থিতিতেও কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে এসেছে প্রচুর পর্যটক। প্রতি বছর বিজয়াদশমীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে দেশের সর্ববৃহৎ বিসর্জন হয়ে থাকে। এবারও বড় পরিসরে সৈকততীরে প্রতিমা বিসর্জন সম্পন্ন হয়েছে। সেটি দেখতে সৈকতে সমাগম হয় প্রচুর পর্যটক। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ সংকেত জারি হওয়ায় পর্যটক ও অন্যান্যরা সৈকতে  নামতে পারছেন না। তারপরও প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা ও বিরুপ আবহাওয়া উড়িয়ে দিয়ে কিছু পর্যটক সৈকতে নামতে দেখা গেছে।
জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সৈকতে বিপদ সংকেতের অংশ হিসেবে পর্যটকদের সতর্ক  করে  মাইকিং করা হচ্ছে। এছাড়া সৈকতে দায়িত্বরত লাইফ গার্ড কর্মীরা পর্যটকদের নিরাপদে থাকতে মাইকিং করছেন।
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলকে ৭ নম্বর বিপদ সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বঙ্গোপসাগর উত্তাল রয়েছে।
উপকূলের নৌযান এবং মাছ ধরার নৌকাগুলোকে উপকূলের কাছাকাছি  নিরাপদ স্থানে থাকার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাগরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান বলেন, ঘূর্ণিঝড় হামুন মোকাবেলায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মঙ্গলবার দুপুরে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়  । উপকূলীয় এলাকায় লোকজনদের নিরাপত্তার স্বার্থে আশ্রয়কেন্দ্র ও নিরাপদ স্থানে  আশ্রয় নিতে  মাইকিং করা হচ্ছে।উপকূলীয় এলাকার আশ্রয় কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়াও কক্সবাজারে আগত পর্যটকদের সমুদ্রে নামার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

Loading

error: Content is protected !!