হোম » শিরোনাম » আহসানের বার্লিন ভ্রমন

আহসানের বার্লিন ভ্রমন

সৈয়দ আহসানঃ আমি জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে বাস করি। গত দুবছরের কোরোনার ডামাডলে কোথায় ও তেমন যাওয়া হোয়ে উঠেনি। আমার মেয়ে ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকে ৬৯০ মাইল দূরে বার্লিনে তার ডাক্তারী পড়া শোনা শেষ করে ওখানেই রয়ে গেলো। ওর অনুরোধেই বার্লিনে যাওয়া।

ট্রেনেই আমার যাত্রা। এখানকার হাইস্পিইড ট্রেন গুলো বিমানের মতোই দ্রুত। ট্রেনের পাশ দিয়েই মাঝে মাঝেই সমান্তরাল ভাবে হাইওয়ে দিয়ে দুশো মাইল গতিতে যখন মার্সিডিস গাড়ি গুলি চলে আর ট্রেন তখন নিমিষেই ওগুলোকে টেক্কা মেরে নিমিষেই উধাও হয়ে যাচ্ছে। সাড়ে তিন ঘন্টার যাত্রা শেষে বার্লিনের কেন্দ্রীয় স্টেশনে নামতেই দেখি ডালিয়া বার্লিনের জন্য নির্ধারিত ক্লিনিক্যাল মাস্ক নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। সঙ্গে সঙ্গে আমার পরা মাস্ক টি খুলে ওর আনা মাস্কটি লাগিয়ে দিল। বার্লিনের এই তিনদিনের প্রোগ্রাম ও নিজেই সেট করে রেখেছিল। এক ঘন্টা পর ই আমরা একটা প্রদর্শনীতে ঢুকলাম।

প্রযুক্তির অভুত উন্নতির সেই প্রদর্শনীতে আমাকে যা করতে হবে বার বার আমাকে শিখিয়ে দিচ্ছিল আমি বার বার ই এসব আয়ত্তে আন্তে না পেরে হোঁচট খাচ্ছিলাম। তার পর বিশ্বের সব চেয়ে আধুনিক ও বড় প্লানেটারিয়াম। দু মিনিটের মধ্যেই পৃথিবী আর সূর্য্য পার হয়ে ছায়াপথ থেকে অনেক দূরে চলে গেলাম আমরা। লক্ষ লক্ষ তাঁরা পার হয়ে মহা বিশ্বের উৎপত্তি স্থলে পৌঁছে গেলাম। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে উল্কাপিন্ড এবং তারার পতনের সাথে সাথে আমি নিজেই যেন আমার চেয়ার থেকে ধপাস করে পরে যাচ্ছি। তার পর হিটলারের পলায়নের সুড়ঙ্গ পথ ,ছাড়াও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিভিন্ন সামাজিক এবং প্রশাসনিক চালচিত্র উপর একটা মিউজিয়ামে ঢুকে পড়লাম।

প্রায় দেড ঘন্টা ধরে গাইড মাটির প্রায় ৮০ ফুট তলদেশের অন্ধকার হাজারো কুঠুরির সেই মিউজিয়ামের অনেক নিদর্শন দেখতে পেলাম। চলবে। – –

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!