
বগুড়া প্রতিনিধি : বগুড়া শহরের চকসূত্রাপুর চামড়াপট্টি (টিএমএসএস মাদ্রাসা) এলাকায় গত (১৪ নভেম্বর) মৃত্যু হয়। টানা দুই বারের ইউপি সদস্য গাবতলী উপজেলার সদর ইউনিয়নের তরফসরতাজ ( সাতঘরে পাড়া) গ্রামের মৃত বাচ্চু কসাইয়ের ছেলে সাবেক মেম্বার আমজাদ হোসেন। তিনি গাবতলীর সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছিলেন।
তার খুনের ঘটনার সাতদিন পার হলেও রহস্য উন্মোচন করতে পারে নি কোনও প্রশাসনের কোনও সংস্থা। থানার নিকটতম এলাকা হলেও পুলিশ এবিষয়ে কিছু জানে না।
সূত্র বলছে, আমজাদ হোসেনের একাধিক স্ত্রী ছিল। সর্বশেষ (ছোট) স্ত্রীকে নিয়ে তিনি হাকির মোর এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। স্থানীয় স্বাধীন নামের এক ব্যক্তির সাথে সুদের ব্যবসা করতেন। ১৪ নভেম্বর তর্ক বিতর্কের পর স্বাধীন আমজাদকে ধাক্কা ও কিলঘুষি দিলে তখন আহত হয় আমজাদ। পরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পরে।
আমাজাদ স্বাধীনের কাছ থেকে সুদের টাকা নিয়েছিলেন। সুদের টাকা নিয়েই তাদের দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।
স্বাধীনের ভাতিজা জানান, সুদের ব্যবসা নয়। পার্সেন্টের ব্যবসা ছিল।
এঘটনায় তার ছোট স্ত্রী হত্যার বিচার না চেয়ে/বাদী না হয়ে উল্টো স্বাধীনের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে মুখে তালা ঝুলিয়েছেন।
পরে উত্তর দিক থেকে আসা কিছু মৌমাছি (সংবাদকর্মী) নিউজ করেছেন ‘সুদের টাকা দিতে না পারায় ইউপি সদস্যকে হত্যা। এই টিম একাধিকবার স্বাধীনের সাথে সাক্ষাত করে মধু হাতিয়ে নিয়েছে। স্বাধীন চক্র ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ইতিমধ্যে সক্ষম হয়েছে।

আরও পড়ুন
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান
ঠাকুরগাঁওয়ে জগন্নাথদেবের উল্টো রথযাত্রা মহোৎসব অনুষ্ঠিত