প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৬:১৮ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ নভেম্বর ৫, ২০২৩, ১২:৪২ অপরাহ্ণ
নাটোরে তালাক প্রাপ্তা স্ত্রীর হামলায় স্বামী আলী হোসেন গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি

মোস্তাফিজুর রহমান , নাটোর প্রতিনিধি : নাটোর সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের সিঙ্গারদহ পূর্ব পাড়া তালাক পাপ্তা স্ত্রীর নির্যাতনে স্বামী আহত হয়ে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে ভুক্তভোগীর কাছে ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান তার তালাকপ্রাপ্ত স্ত্রী রুমিয়া প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা তার অজান্তে ঋণ করে তাহার পরকীয়া প্রেমিক কে দেয়। পরবর্তীতে পাওনাদাররা বাড়িতে এসে বারবার পাওনা টাকা দাবি করতে থাকলে রুমিয়া তাহার স্বামীকে রিনা টাকা দিতে চাপ সৃষ্টি করলে তাহা তাহা দিতে স্বামী অপারগতা স্বীকার করলে রুমিয়া স্বামীকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেএবং মেরে ফেলার ভয় দেখায়। পরবর্তীতে রুমিয়া তার স্বামীকে বলে কিডনি বিক্রি করতে। কিডনির দাম ৬ লক্ষ টাকা বন্দোবস্ত করে আসে রুমিয়া।স্বামী আলী হোসেনকে নিয়ে রুমিয়া রক্তের গ্রূপ অন্যান্য পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মোবাইলে পাঠিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী আলী হোসেন এর বাবা আব্দুস সাত্তার হাজী বলেন। আমার ছেলে আমাকে কিডনি বিক্রির কথা বললে আমি তাহাকে নিষেধ করি এবং ত্যাজ্য করার কথা বলি। তখন সে কিডনি বিক্রি করতে অস্বীকার করে এবং স্ত্রী রুমিয়াকে তালাক দেয়। এবং আমার নামে ধর্ষন মামলা দেয়।
গত ২-১১-২০২৩ বৃহস্পতিবার আমার ছেলে আলী হোসেন তার নিজ আইডি কার্ড আনার জন্য তার নিজ বাড়িতে গেলে রুমিয়া ও তার ভাড়া করা সন্ত্রাসীরা আমার ছেলেকে অমানুষিক নির্যাতন করে ঘরে আটকে রাখে। খবর পেয়ে আমি ও আমার মেয়ে রহিমা আমার ছেলের বাড়িতে গেলে আমাদেরকেও মারপিট করে। আমরা নিরুপায় হয়ে ট্রিপল ৯৯৯ ফোন করি কিন্তু সহযোগিতা পাইনি। পরে এলাকাবাসী এগিয়ে এলে তাদের সহযোগিতায় আমার ছেলেকে উদ্ধার করে নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করি এবং নাটোর সদর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করি। ভুক্তভোগী আলী হোসেনের পিতা আব্দুস সাত্তার হাজী এ ঘটনায় প্রশাসনের কাছে সুস্থ বিচার দাবি করে। অভিযুক্ত রুমিয়ার বাড়িতে গেলে রুমিয়াকে পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে নাটোর সদর থানার ওসি মোঃ নাসিম বলেন, বিষয়টি তদন্ত সাপেক্ষে আইনি ব্যাবস্থা নেয়া হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.