

স্থানীয়রা জাকারিয়াকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে জাকারিয়ার মাথায় ১২টি সেলাই দিয়েছে। পরে জাকারিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। বর্তমানে জাকারিয়া মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।
জাকারিয়ার মেয়ে জুথি খাতুন বলেন, স্কুলে যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা প্রতিদিনই আমাকে ইভটিজিং করতো। তুলে নিয়ে যাবার হুমকি দিতো। এর প্রতিবাদ করেছে আমার বাবা। পরে আমার বাবাকে ডেকে নিয়ে হাতুড়ি ও চাইনিজ কুড়াল ও রড় দিয়ে পিটিয়ে আহত করেছে। জুথি আরো বলেন, এর আগে সবুজ পোড়াবাড়ী স্কুলে এক ছাত্রীকে ইভটিজিং করেছিল। ইভটিজিং করায় সময় এক শিক্ষক বাধা দিলে সবুজ সেই শিক্ষককে মারপিট করেছিলো। পরে ঐ শিক্ষক সবুজের নামে মামলা করেছিলো।
অভিযুক্ত সবুজ খানের চাচা গোলবার খান বলেন, স্কুলে যাওয়ার সময় আমার ভাতিজাকে জাকারিয়া মারপিট করেছিলো। বিষয়টি এলাকার মুরুব্বিদের জানানো হয়েছে। পরে ভাতিজা সবুজ ও তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে জাকারিয়াকে মারপিট করেছে। বর্তমানে ভাজিতাসহ তার বন্ধুরা বাড়ির বাহিরে আছে।
সয়দাবাদ ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য সুমন বাবু বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। মারপিটের পরে হাসপাতালে গিয়ে আহত জাকারিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। রোগীর পরিবারের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি বর্তমানে জাকারিয়ার অবস্থা ভালো না।
এ বিষয়ে সয়দাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সাইদুল ইসলাম রাজা বলেন, মারপিটের ঘটনা ঘটেছে শুনেছি। দুপক্ষেকে মিমাংশা করার জন্য বলা হয়েছে।
সয়দাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নবীদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমাকে অবগত করেছে। আমি আহত জাকারিয়াকে দ্রুত চিকিৎসার জন্য বলেছি। জাকারিয়া সুস্থ্য হলে দুপক্ষের মুরুব্বীতের সাথে নিয়ে মিমাংশা করে নেওয়া কথা বলেছি।
এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির বলেন, এই বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।