এম এ রাশেদ: বগুড়ার গাবতলীতে পানের পিক ফেলাকে কেন্দ্র করে বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে পতিপক্ষরা। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার রামেশ্বরপুর নিশুপাড়া গ্রামের এঘটনায় ভুক্তভোগী আইনুর পাইকার গাবতলী থানায় বাদী হয়ে ১০ জনকে বিবাদী এজহার ভুক্ত করে অভিযোগ দায়ের করেন।
এজহার সূত্রে জানা যায়, আসামীরা হলেন ১| রহমান(৩২) ২| রায়হান(২৮) উভয়ের পিতা মোঃ আনিছার, ৩| আনিছার (৬০) পিতা- মৃত লই মন্ডল, উভয়ের সাং- রামেশ্বরপুর (আদর্শগ্রাম) ৪| মোখলেছার (৫০) ৫| রঞ্জু মন্ডল, উভয়ের পিতা লই মন্ডল, সাং- পূর্বপাড়া, ৬| মিনেরা বেগম, স্বামী মোঃ আনিছার মন্ডল, ৭| খাদিজা বেগম(৩৩) স্বামী ফারুক সাকিদার, ৮| সপিকুল সরদার (৪৫) পিতা- ইজাম সরদার, ৯| পারভেজ (২৩) পিতা- হাবলু প্রাং, ১০| মিজানুর সাকিদার(৩৫) পিতা- মৃত গফুর সাকিদার, সর্ব সাং- রামেশ্বরপুর নিশুপাড়া, থানা- গাবতলী।
গত ১৪ ই ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা ৭.০০ ঘটিকার সময় মোঃ আইনুর পাইকার,পিতা - মৃত মোঃ আব্দুল পাইকার,সাং- রামেশ্বরপুর নিশুপাড়া'র ঘরের গেটে ও জানালা দিয়ে ঘরের ভিতরে পানের পিক ফেলে দেওয়ার সময় হাতে নাতে ধরা পড়ে ৩ নং বিবাদী মোঃ আনিছার মন্ডল, পিতা- মৃত লই মন্ডল।
এ ঘটনায় ভুক্ত আনিছারকে বাধা নিষেধ ও কারন জানতে চাইলে ভুক্তভোগীকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং বলে ঘরের ভিতর থেকে বাহিরে আসতে বলে, তখন ঘর থেকে আইনুর এর স্ত্রী বের হয়ে আসলে ২ নং বিবাদী মোঃ রায়হান এলোপাথাড়ি কিল ঘুশি মারে এবং আনিছারের আরেক ছেলে ১ নং বিবাদী মোঃ রহমান ঘরের ভিতর থেকে চাকু নিয়ে এসে মুখের নিচে থুতনিতে মেরে চরে যায়।
রক্তাক্ত অবস্থায় চিৎকার করলে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে রক্ষা করে এবং চিকিৎসার জন্য গাবতলী হাসপাতালে নিয়ে যায়, এমতাবস্থায় প্রতিপক্ষরা আনিছারের ঘরবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করার হুমকিসহ প্রানে মেরে ফেলে দেওয়ার কথা বলে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।