
এম,কামরুজ্জামান, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার দত্তের বাজার ইউনিয়নের দত্তের বাজারে সস্ত্রাসীদের দাবীকূত চাদাঁ দিতে না পাড়ায় মার্কেট নির্মানের কাজ বন্ধ করে দিয়েছে এলাকার চিহ্নিত চাদাঁবাজ সস্ত্রাসীরা। পাগলা থানার পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে চাদাঁবাজির ঘটনা জানানো হলেও তারা নিরুপায় বলে জানায়। মালিককে বাধ্য করে মার্কেট নিমানের কাজ বন্ধ দিতে। অভিযোগ সূত্রে প্রকাশ, গফরগাঁও উপজেলার যুবদলের সাবেক সাধারন সস্পাদক মাহবুবুর রহমান ফোরকান তার পৈত্তিক সস্পত্তি দত্তের বাজারে ৮ শতাংশের জমির উপর মার্কেট নির্মান করতে রাজমিস্ত্রি কাজ করতে যায়। চার পাঁচ দিন কাজ করার পর ঐ ইউনিয়নের সস্ত্রাসী ও চাদাঁবাজ জালাল উদ্দিন জালুর নেত’ত্বে ২০/২৫ জন সাঙ্গু পাঙ্গু নিয়ে নিমিত মার্কেটে রাজ ওস্তাকার বাহার উদ্দিনকে কাজ করতে নিষেধ করে। পরে এক পযায়ে তর্কে জড়িয়ে পড়লে সহকারী রাজমিস্ত্রি শফিকুল ইসলাম(৩০)কে দা দিয়ে কুপিয়ে ডান পায়ের গোড়ালি কেটে ফেলে। পরে সস্ত্রাসীরা দা লাঠি লোহার পাইপসহ দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ব্যাপক আতংক সৃষ্টি করে চাদাঁর দাবীতে ¯েøাগান দিয়ে বাজার কাঁপিয়ে ফেলে। আহত রাজমিস্ত্রি শফিকুলকে এলাকারবাসী উদ্ধার করে দত্তের বাজারে একটি ফার্মেসিতে প্রাথমিক চিকি:সা নিয়ে বাড়িতে অবস্থান করছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার(২৭মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে। যুবদল নেতা ফোরকান জানান, আমি আমার পিতার পৈত্তিক জমিতে সাড়ে ৮ শতাংশ জমির উপর মার্কেট নির্মাণ করতে ৫/৭দিন যাবত রাজমিস্ত্রি কাজ করে যাচ্ছে। প্রতিদিনের ন্যায় গত রবিবার(২৭মার্চ) কাজ করতে থাকে। এর মধ্যে সস্ত্রাসী জালাল উদ্দিনের নেতৃত্বে ২০/২৫জন সস্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মার্কেটে কাজেরত শ্রমিকদেরকে কাজ বন্ধ রাখার বলে এবং এই কাজ করলে তুদের পিটের চামড়া থাকবে না। মার্কেটের কাজ করতে হলে ফোরকানকে বল ৫ লক্ষ টাকা চাদাঁ দিতে হবে। টাকা না দিলে চিরদিনের জন্য কাজ বন্ধ থাকবে। চাদাঁবাজ সস্ত্রাসীরা এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় পাগলা থানায় অভিযোগ করতে গেলে পুলিশ থানা থেকে তাড়িয়ে দেন। এ ব্যাপারে পাগলা থানার ওসি রাশেদুজ্জামান মোবাইল রিচিভ না করায় কোন মন্ত্যব পাওয়া যায়নি।