
নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, নির্বাচিত প্রার্থীর সমর্থক জেমস বাহিনীর সদস্যরা আমার ছোট ভাইকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে। এই ১৫ সদস্য বিশিষ্ট বাহিনীর হুমকি-ধামকি ও হামলায় আমার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনায় ব্যাঘাত ঘটেছিলো। এই বাহিনীর অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ।
তিনি আরও বলেন, জেমস্ বাহিনীর প্রধান মোনায়েম হোসেন জেমস্, সদস্য রোকন ফারুকী, শাওন, ফয়সাল আহম্মেদ রানা, আহম্মেদ ইমতিয়াজ, মমিন প্রামানিক, মিরন, তোফাজ্জল, রান্টুসহ আরও বেশ কয়েকজন আমার ছোট ভাইয়ের উপরে হামলা চালিয়েছে। এরা একটি ক্লাব বানিয়ে চাঁদা বাজী থেকে শুরু করে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। এই বাহিনীর হাত থেকে আমি ও আমার পরিবারসহ এলাকাবাসীদের রক্ষার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি। এঘটনায় তাড়াশ থানায় মামলা করবে বলে তিনি জানান।
জেমস্ বাহিনীর প্রধান মোনায়েম হোসেন জেমস্ সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনে আমি বিদ্রোহী প্রার্থীর কাজ করায় আমাকে ফাসানোর চেস্টা করা হচ্ছে। সিরাজগঞ্জ ২৫০ শর্য্যা বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামীমুল ইসলাম জানান, গুরুতর আহত অবস্থায় এফ কবির চৌধুরীকে রাত ৯দিকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার মাথা ও পায়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাত রয়েছে। বর্তমানে সে হাসপাতালের পেইন বেডে চিকিৎসাধীন।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফজলে আশিক বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্তপুর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। জেমস্ বাহিনীর বিষয়ে তিনি আরও বলেন, জেমস্ নামে এক ব্যক্তিকে আমি চিনি। সেটাও তদন্ত করে দেখা হবে।