
মোঃ হানিফ, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ীতে ফসলি জমির মাটি গিলে খাচ্ছে ইট ভাটা ও বাড়ী নির্মাণে। ফসলি জমির উপরি ভাগের মাটি যাচ্ছে ইট ভাটা, বাড়ী নির্মাণ ও বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে। অসহায় কৃষকদের আর্থিক সংকটের সুযোগ নিয়ে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় লোকজন এ মাটির ব্যবসা করছে। তবে এসব বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন অনেকটা নীরব ভ‚মিকা পালন করছে। এখানে ৩ ফসলি জমি থেকে জমির উপরিভাগের ৩ ফুট মাটি ্য়ঁড়ঃ;টপ সয়েল্য়ঁড়ঃ; চলে যাচ্ছে ইট ভাটা ও
বাড়ী নির্মাণে। নানা কৌশলে কৃষকদের কাছ থেকে এসব মাটি কিনে নিচ্ছে। আবার মাটি বিক্রিতে অনীহা প্রকাশ করলে অসহায় কৃষকদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। এতে করে কমছে জমির পরিমাণ। মাটি কাটার ফলে জমির উর্ভরতা হ্রাসসহ ফসলি জমি বিনষ্ট হচ্ছে। অন্যদিকে জমির মাটি আনা নেয়ার কাজে ব্যবহৃত ট্রাক্টর দানবীর চাকায় পিষ্ট হচ্ছে উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের রাস্তাঘাট। সরকারি আইনের তোয়াক্কা না করে প্রশাসনের কর্তা ব্যক্তিদের বিভিন্ন প্রকার সুযোগ সুবিধা নিয়ে ইট ভাটার মালিকগণ নির্বিঘ্নে তাদের এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। এতে একদিকে ক্ষতি হচ্ছে পরিবেশের, অন্যদিকে দীর্ঘ সময় থেকে সংস্কার না হওয়া উপজেলার রাস্তাঘাট
গুলো চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। নাটেশ্বর ইউনিয়নের নাটেশ্বর গ্রামের কৃষক মুজিব ও আব্দুলাহ জানান, জমির মাটি নেয়ায় জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। ফসল উৎপাদনে ব্যাহত হবে। বড় বড় ট্রাক্টর দিয়ে সরকার দলের লোকজন জমির মাটি বিক্রি করছে ইট ভাটায়। এই চক্রটি গ্রামগঞ্জে হেটে হেটে অসহায় দরিদ্র কৃষকদের টাকার লোভনীয় প্রলোভন দেখিয়ে মাটি কিনে নিচ্ছে। এতে করে জমির শ্রেণির পরিবর্তনও হচ্ছে। সোনাইমুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ হিমেল জানান, এ উপজেলায় দীর্ঘদিন ধরে এক শ্রেণির লোক মাটি কিনে ইটভাটা ও বাড়ী নির্মাণে ফসলি জমির মাটি নিয়ে যাচ্ছে। এতে উৎপাদনে ব্যাহত হবে।