
শ্যামনগর প্রতিনিধি : সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা সদরের সবচেয়ে জনবহুল রাস্তা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়ক। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটা সম্প্রসারণের দাবী জানিয়ে আসছে এলাকাবাসী।
শ্যামনগর উপজেলা পরিষদ, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, প্রাণী সম্পদ হাসপাতাল, মডার্ণ স্কুল, শ্যামনগর পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, শহীদ মিনার, স্মৃতি সৌধ,শহীদদের মাজার, একাধিক বেসরকারি হাসপাতাল,কৃষি ব্যাংক,সোনালী ব্যাংক সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের একমাত্র রাস্তাটি সম্প্রসারণ হওয়ার কথা থাকলেও সেটা হয়নি।
সম্প্রতি জলাবদ্ধতা নিরসনে রাস্তার পাশে ড্রেন নির্মাণ কাজ শুরু হলেও অবৈধ দোকানঘর বাঁচাতে সাপের মতো এঁকেবেঁকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে ড্রেনের কাজ। উপজেলা পরিষদ নতুন ভবনের মূল ফটক থেকে শুরু হওয়া ড্রেনের কাজ হাসপাতাল গেট সংলগ্ন স্থানে গিয়ে অবৈধ দোকানঘর বাঁচাতে রাস্তার উপরে উঠে যাওয়ায় রাস্তাটি পূর্বের চেয়ে আরো বেশি সংকীর্ণ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। সূত্রমতে জানাযায়, শহর উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এলজিইডি কর্তৃক উপজেলার শহীদ মুক্তিযোদ্ধা সড়কের উপজেলা পরিষদের ৩ নং গেট থেকে গোপালপুর কালভার্ট পর্যন্ত ১ কোটি চৌদ্দ লক্ষ তিরাশি হাজার টাকায় ৯২৩ মিটার পানি নিষ্কাশনের জন্য আরসিসি ড্রেন নির্মাণ বরাদ্ধের কাজ টেন্ডারের মাধ্যমে পেয়ে নির্মাণ কাজ চলমান রেখেছেন ঠিকাদার আবুল বাশার।
বর্তমান রাস্তা সহ দুইপাশে সর্বনিম্ন ৫৯ ফুট জায়গা থাকলেও ড্রেন নির্মাণ কাজে রাস্তার জায়গা ব্যবহার না করে রাস্তার উপর দিয়ে চলছে ড্রেন নির্মাণ কার্যক্রম। সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়,উপজেলা পরিষদের মূল ফটক থেকে শুরু হওয়া ড্রেনের কাজ হাসপাতাল গেট সংলগ্ন স্থানে গিয়ে সড়কের জায়গায় অবৈধভাবে দোকান গড়ে ওঠায় সেখান থেকে বামে ঘুরিয়ে রাস্তার উপরে তোলা হয়েছে ড্রেন নির্মাণ কার্যক্রম।
অতি ব্যস্ত তম রাস্তা সম্প্রসারণের বদলে সংকীর্ণ করা কতোটা যৌক্তিকতা রয়েছে এমন আলোচনায় সরব শ্যামনগর উপজেলা সদরের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ। ড্রেন নির্মান শুরুতে স্থানীয় জনগোষ্ঠী বাধাগ্রস্ত করলেও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এস এম আতাউল হক দোলন সরজমিনে গিয়ে পরিদর্শন শেষে মানুষের চাওয়ার বিরুদ্ধেই কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেন,এবং সে মোতাবেক কাজ চলমান।
ড্রেন নির্মাণ বিষয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগ,ড্রেন নির্মাণ কাজ এভাবে সমাপ্ত হলে ভবিষ্যতে রাস্তা সম্প্রসারণ হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা থাকবে না। সপ্তাহের ৭দিন রাস্তাটি যানযট থাকার কারণে মুমূর্ষু রোগী প্রতিনিয়ত উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আসতে বাধাপ্রাপ্ত হলেও তা নিয়ে যেন কারো মাথা ব্যাথা নেই এমন অভিযোগ করেন শ্যামনগর বাজার ব্যবসায়ী আবুল হোসেন।তিনি বলেন, প্রাণী সম্পদ হাসপাতাল মোড় থেকে বাসস্ট্যান্ডে যেতে অনেক সময় ২০ মিনিট সময় পার হয়ে যায়। রাস্তাটি চওড়া হওয়া অতি গুরুত্বপূর্ণ হলেও তা দেখছি আরো সংকীর্ণ হচ্ছে।

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল