ভালুকায় আশির দশকের ইতিহাস করা বাচ্চু মিয়ার প্রথম পত্রিকার এজেন্টশিপের হাল ধরেছেন,ছেলে শেরে বাংলা।

আরিফুল ইসলাম আরিফ,ময়মনসিংহ,ভালুকা, প্রতিনিধি,ভালুকায় আশির দশকের ইতিহাস করা মরহুম বাচ্চু মিয়ার প্রথম এজেন্টশিপের হাল ধরেছেন,ছেলে শেরে বাংলা (পত্রিকা বিতান) নামের প্রতিষ্টানটি।সদাহাসোজ্জল,শেরে বাংলা বাবার আদর্শের ব্যবসার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে,কাক ঢাকা ভোর হতে,হাতে সংবাদ পত্র নামানো গোছানো,হকারদের বুজিয়ে দেন দৈনন্দিন সংবাদপত্র।কোন সময় নাস্তা খাওয়ার ফুসরত নেই,তবুও একটু খেয়ে আবার শুরু করেন নানা মানুষের হাতে তুলে দেন সংবাদপত্র।একের পর এক বির লেগেই আছে, আসছে একের পর এক সাংবাদিক ভাই আমার পত্রিকাটা দেন,কেও বা ফোন করেন ভাই আমার নিউজটা ধরেছে দেখেন তো দেখছি,আবার হা বা না’র উত্তর পত্রিকার পাতা উলটিয়ে পালটিয়ে দিতে হয়।শেরে বাংলা এই এজেন্টশিপের ব্যবসার পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন স্থানের বাসের টিকিট বিক্রি করেন এবং ফেক্সিলোড,বিদ্যুতের টাকা রির্চাজ,ও করেন সব কিছুই যেন হাসির মুখে মানিয়ে নেওয়া দৈনন্দিন কাজ।এসব করেই যেন শেষ হয় কর্মময় প্রতিটি দিন।শেরে বাংলার পিতা এজেন্ট মরহুম বাচ্চু মিয়া পাঠকদের পত্রিকার পড়ার নিয়ম শেখানো,কোন কলাম থেকে কোন কলামে পড়তে হবে তা অনেককেই বুজিয়ে পত্রিকা পড়ায় আগ্রহশীল করেছেন,তিনি এখনো পাঠকদের সৃতির পাতায় স্বরনীয় ব্যক্তি।স্থানীয় সংবাদকর্মী,পাঠকদের চোখের জলে ভাসিয়ে ২/১/১৮ইং তারিখে মারা যান পত্রিকা বিতানের এজেন্ট বাচ্চু মিয়া (৭০)।তিনি তিন ছেলে ও তিন মেয়ে রেখে গেছেন।স্থানীয়রা জানান,আশির দশকের প্রথম দিকে ভালুকায় এসে এজেন্টশিপ নিয়ে ছোট পরিসরে পত্রিকার ব্যবসা শুরু করেন গফরগাঁও উপজেলার উথুরী গ্রামের বাচ্চু মিয়া।পরে তিনি ভালুকায় স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন।তাঁর অনুপ্রেরণায় স্থানীয় বেশ কয়েকজন এখন দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত হয়েছেন।তাঁর সৃৃৃতির প্রতি শ্রদ্ধা ও রুহের মাগফেরাত দোয়া ও জান্নাতবাসী এ কামনা করেছেন অনেকে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!