হোম » প্রধান সংবাদ » ছোট ভাই হাসপাতালে ভর্তি  চট্রগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তে বোনের মৃত্যু।

ছোট ভাই হাসপাতালে ভর্তি  চট্রগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তে বোনের মৃত্যু।

 সাইদুর রহমান চৌধুরী, চট্রগ্রামঃ চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু  হয়েছে সুমি বৈদ্য(১৯) নামের এক মেয়ের। তারই ছোট ভাই অরুপ বৈদ্য(১৬) হাসপাতালে  চিকিৎসাধীন রয়েছে। জানা যায়, শনিবার  রাত ৮টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর ন্যাশনাল  হাসপাতালে চিকিৎসাধীন  অবস্থায়  তার মৃত্যু  হয়। মৃত্যু হওয়া সুমি বৈদ্য ও অরুপ বৈদ্য  খুলশী থানাধীন ফয়’স লেক বৈশাখী ভবনের সুনিল বৈদ্য’র মেয়ে।
জানা যায়, সুমি বৈদ্য  নগরীর এমইএস বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্প্রতি এইচএসসি পাস করেছেন।অন্যদিকে অরুপ বৈদ্য  হাসপাতালে অরুপ বৈদ্য নগরীর  ইস্পাহানি স্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ১৩ নম্বর ডেঙ্গু কর্নারে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, আগামী ২৭ তারিখ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণের কথা ছিল সুমির। তবে হঠাৎ  জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় পরিবারের লোকজন তাকে ফয়’স লেকের ইউএসটিসি হাপাতালে ভর্তি করায়। সেখান থেকে কিছুটা সুস্থ হলে তাকে বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু শুক্রবার  তার অবস্থার আবার অবনতি হওয়ায় তাকে ন্যাশনাল হাসপাতালে আইসিউতে ভর্তি করানো হয় এবং আইসিইউতেই তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের এডমিন ইনচার্জ প্রবীর বড়ুয়া মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত  করেন। তিনি সাংবাদিকদের  বলেন, ‘মুমূর্ষু অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে সুমিকে ভর্তি করানো হয়। তখন থেকেই তার নাক ও মুখ দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে। এরপর  শনিবার রাতে আইসিউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়’।
স্বাস্থ্য দপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর ও জেলা সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী খবর পেয়ে শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর বেসরকারি ন্যাশনাল হাসপাতাল ও চমেক হাসপাতালে গিয়ে তাদের খোঁজ খবর নিয়েছিলেন।
জেলা সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দীকি জানান, ‘মূলত ডেঙ্গু শক সিন্ট্রমে আক্রান্ত হওয়ায় সুমির রক্ত প্রবাহিত হয়েছে।তাদের খবর শুনে আমরা দেখতে এসেছি। এর কিছুক্ষণ পরেই সুমির মৃত্যু হয়। যতটুকু শুনেছি, সুমির ডেঙ্গু ধরা পড়ার পর তার বাবার ফার্মেসির দোকান থাকায় নিজে নিজেই চিকিৎসা করেছিলেন। এ বিষয়ে অবহেলা না করে যদি প্রথমেই চিকিৎসা করাতো হয়তো সুমি বেঁচে যেতেন। তবে চমেক হাসপাতালে গিয়ে সুমির ছোট ভাই অরুপকে দেখতে এসেছি। সে বর্তমানে কিছুটা ভালো আছে। আসা করছি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠবে’
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!