
মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী কক্সবাজার: এক দিকে বৈরি আবহাওয়া অন্যদিকে সপ্তাহিক ছুটির দিনে দেশি-বিদেশি হাজারো পর্যটকে জনস্রোত নেমেছে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। আনন্দ আর হৈ-হুল্লোড়ে সাগর তীরে মেতেছেন তারা। উত্তাল সাগরে পানিতে পর্যটকদের না নামতে লাইভ গার্ড সদস্যরা নিষেদ করার পরেও পর্যটকরা তা তোয়াক্কা না করে সমুদ্রে নেমে পড়ছে। আর তাদের নিরাপত্তায় কাজ করছে টুরিষ্ট পুলিশ সদস্যরা।
সামনে শীতের আগমনি বার্তায় আগামীতে আরও বেশি পর্যটকের সমাগম হবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের। পর্যটন স্পটগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। শুক্রবার ও শনিবার সকাল থেকে বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, সৈকতের বালিয়াড়িতে ঘোড়ায় চড়ে ঘুরে বেড়াচ্ছেন পর্যটকরা। কিছু দূর ঘুরে আবার তুলছেন ছবি। ঘোড়ার পাশেই রয়েছে বিচ বাইক। এসব বাইকে করে বালিয়াড়ির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ঘুরছেন পর্যটকরা। বালিয়াড়ি পেরিয়ে সমুদ্রের নীল জলরাশিতে মানুষের উপচে পড়া ভিড়। কেউ দল বেঁধে এসেছেন, কেউ কেউ পরিবার-পরিজন বা প্রিয়জনকে নিয়ে এসেছেন সৈকতে।
ঢাকা থেকে আসা পর্যটক সানজিদা বলেন, ছুটির দিনে একটু সময় দিতে প্রতিবারের মতো কক্সবাজারে ছুটে এলাম। সাগরের নীল জলরাশি দেখে মনটা জুড়িয়ে গেছে। এত সুন্দর সমুদ্র সৈকত থাকতে দেশের মানুষ কেন যে অন্য দেশে যায়?
আবদুল্লাহ নামে এক রিকসা চালক বলেন, আমরা সপ্তাহিক ছুটির অপেক্ষায় থাকি। কারণ বৃহস্পতিবার, শুক্রবার ও শনিবার এই তিন দিন পর্যটকের আনাগোনা থাকে। পুরো সাতদিনের রোজগার এই তিন দিনে করতে হয়।
শহরের আল গণি রেস্তোরাঁর পরিচালক মোহাম্মদ রুবেল বলেন, পর্যটকদের সেবায় আমরা সর্বদা প্রস্তুত আছি। পর্যটন শিল্পের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেজন্য আমরা সব খাবারের দাম কম রাখছি। উন্নাত মানের খাবার পরিবেশন করেন বলে জানান।
কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত লাইফ গার্ড কর্মীরা বলছেন, সৈকতের যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট আছে সেখানে আমাদের টিম কাজ করছে। পর্যটকরা গোসলে নামলে ওয়াচ-টাওয়ার থেকে আমরা পর্যবেক্ষণে রাখছি।

আরও পড়ুন
সিরাজগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, দরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী ও অসহায় রোগীদের মাঝে চেক বিতরণ
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে ছাত্রদলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে র্যাগিং ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাবি চুরির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ