
গত শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ চুরির ঘটনাটি ঘটে। এতে প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম টিটু। আজ শনিবার ইউপি সচিব মিঠুন দাশ বাদী হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এ ঘটনায় দায়িত্বরত চৌকিদার মো. আরমানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
ইউপি চেয়ারম্যান খোরশেদ আলম জানান, চোরেরা তালা ভেঙে পরিষদের ভবনে প্রবেশ করে উন্নয়ন সহায়তা তহবিল ও ইউনিয়ন পরিষদ নিজস্ব হিসাবের দুটি চেক বই, সিসি ক্যামেরার মনিটর, সিসি ক্যামেরার ডিভিআর, সচিবের রুমের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ ওয়ারড্রপ, ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সার্ভার রুমের রাউটার, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যের সার্ভার রুমের সাতটি এসএফপি মডেল, সার্ভার রুমের রাউটার নিয়ে যায়।
এ সময় তারা সচিবের কক্ষের আলমারি, চেয়ারম্যানের কক্ষের ওয়ারড্রপ, তিনটি কক্ষের তালা ও লকার ভেঙ্গে ফেলেছে। এ সব মিলে চুরির ঘটনায় ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৭ লাখ টাকা।
চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ ব্যাপারে ইউপি সচিব মিঠুন দাশ বাদী হয়ে ৭ লাখ টাকার মালামাল চুরির একটি অভিযোগ করেছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
#R

আরও পড়ুন
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার