হোম » প্রধান সংবাদ » সিরাজগঞ্জে চার বন্ধু মিলে কিশোরীকে গণধর্ষন, গ্রেফতার দুই

সিরাজগঞ্জে চার বন্ধু মিলে কিশোরীকে গণধর্ষন, গ্রেফতার দুই

হুমায়ুন  কবির সুমন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি:সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে একটি বেসরকারী ক্লিনিকের এক কিশোরী নার্সকে (১৭) গণধর্ষনের অভিযোগ উঠেছে। তার বাড়ি উল্লাপাড়া উপজেলার বামনগিয়ালা গ্রামে। তিনি উল্লাপাড়া উপজেলার কেয়ার হাসপাতালের নার্স হিসেবে কর্মরত আছেন। সোমবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ধর্ষনের শিকার ওই নার্সকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে আসা হয়েছে।

রবিবার রাতে কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় ওই নার্সের ভাই শরিফুল ইসলাম বাদী হয়ে সোমবার দুপুরে চারজনের নাম উল্লেখ করে কামারখন্দ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত দুই জনকে গ্রেফতার করে।
গ্রেফতারকৃতরা হলো, কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর গ্রামের দুলাল সেখের ছেলে আশরাফুল ইসলাম (২০) এবং একই গ্রামের মুকাদ্দেস আলীর ছেলে নাইমুল হক (২০)।

পুলিশ ও নার্সের পরিবার সুত্রে জানাযায়, কামারখন্দ উপজেলার কুটিরচর গ্রামের দুলাল সেখের ছেলে আশরাফুল ইসলামের সাথে কিশোরী নার্সের প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। প্রেমের সম্পর্কের জেরে আশরাফুল ও তার তিন বন্ধু রবিবার রাতে ওই কিশোরীকে কামারখন্দে নিয়ে আসে।আশরাফুল ওই কিশোরীকে কুটিরচর গ্রামে একটি গাছের বাগানের মধ্যে নিয়ে তিন বন্ধুর সহযোগিতায় ধর্ষণ করে করে। পরে মধ্য রাতে একই এলাকার একটি নির্মাণাধীন প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা প্রাচীরের কাছে নিয়ে ওই কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আশরাফুল ও তার বন্ধু নাইমুল, মেহেদী ও সৌখিন। রাতভর ধর্ষণ শেষে ভোর রাতে কুটিরচর এলাকায় ওই কিশোরীকে ফেলে তারা পালিয়ে যায়।

সকালে স্থানীয়রা তাকে অসুস্থ্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল ইসলাম জানান, কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় তার ভাই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।  চারজন আসামীর মধ্যে দুইজনকে গ্রেফতার করে সোমবার বিকেলে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যাহত আছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!