হোম » প্রধান সংবাদ » চরকালীগন্জ গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন পার হতে হয় নৌকায় করে

চরকালীগন্জ গ্রামের মানুষকে প্রতিদিন পার হতে হয় নৌকায় করে

মিনহাজ আকন্দ: প্রায় ২০ বছর ধরে কানাকানি হচ্ছে ব্রিজের কাজ এই শুরু হলো বলে। সংসদ থেকে এমপি এবং ইউপি চেয়ারম্যান, সদস্য—এমন জনপ্রতিনিধিরা একজনের পর অন্যজন এলেন। ক্ষমতা বদল হলো। প্রতিশ্রুতি দিলেন অনেকেই। কিন্তু আমাদের প্রত্যাশা পূরণ হলো না। অথচ ব্রিজটি আমাদের খুব দরকার।’ কথাগুলো একনিশ্বাসে বললেন গ্রামবাসিরা । এই কথাগুলো গ্রামের সবারই মনের কথা। সবারই চাওয়া চরকালীগন্জ খেয়াঘাটে একটি ব্রিজ হোক। চরকালীগন্জ গ্রামের লোকজন দৈনন্দিন প্রয়োজনে নদীর ওপার পার হতে হয়। কারণ, নদী পার হয়ে উল্লাপাড়া শিল্পনগর এবং আরও কিছু দূর গেলেই উল্লাপাড়া স্টিশন এবং সিরাজগঞ্জ রোড ।
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই যাওয়া যায় সেখানে। অন্যদিকে সলপ হয়ে উল্লাপাড়া কিংবা সিরাজগঞ্জ আসতে হলে বহু পথ ঘুরতে হয়। এলাকার সবাই পথটিই সাধারণত ভাবে ব্যবহার করে থাকেন। চরকালীগন্জ খেয়াঘাট দিয়ে দিনে প্রায় ৩ থেকে ৫ হাজার মানুষ চলাচল করে।সরেজমিনে দেখা যায়, চরকালীগন্জ করতোয়া নদী পার হওয়ার জন্য খেয়াঘাটে আছে মাত্র একটি নৌকা। সেই নৌকায় করেই প্রতিনিয়ত শত শত গ্রামবাসী, শিক্ষার্থী, পোশাককর্মী, ব্যবসায়ীরা যাতায়াত করেন। নৌকা এক পাড় ছেড়ে অন্য পাড়ে গেলে তা ফিরে আসার অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়। ঘাটেও নৌকা ভেড়ার কিংবা যাত্রী ওঠা-নামার জন্য ভালো ব্যবস্থা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দারা আক্ষেপ আর ক্ষোভ নিয়েই বললেন, নদীর ওপারে অন্যান্য জায়গাতে উন্নয়নের জোয়ার বইছে। আর তাঁরা এখনো কাদামাটি পাড়িয়ে খেয়া পার হয়েই চলছেন। কেবল একটি ব্রিজের অভাবেই আটকে আছে এলাকার উন্নয়ন।চরকালীগন্জ গ্রামের বাসিন্দারা আরো বলেন, ‘এই আধুনিক ডিজিটাল প্রযুক্তির যুগেও খোদ রাজধানীর বুকে থেকে আমাদের খেয়ানৌকার ওপর ভরসা করে চলতে হয়। একটু রাত হলেই বাড়ি থেকে বের হওয়া বা বাইরে থেকে বাড়ি ফেরার উপায় থাকে না। চরকালীগন্জ গ্রামের অন্তত ৬০ জন শিক্ষার্থী। উল্লাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কলেজের ছাত্রছাত্রীরা পড়তে যায়। শত শত পেশাজীবি মানুষ চরকালীগন্জ খেয়াঘাট পার হয়ে উল্লাপাড়া যায় অনেকেই মানুষ নানা জায়গায় নানা ধরনের কাজ করে থাকেন ।
সকালে খেয়া পারাপারের যাত্রীর চাপ বেশি থাকে। তখন ঝুঁকি নিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা হয়। আবার ঝড়-বৃষ্টির সময় নৌকা বন্ধ থাকে। প্রতিদিন নদী পার হয়ে স্কুলে যাতায়াত করে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে হয় তাদের এতে খুব কষ্ট হয়। মাঝেমধ্যে খুব ভয়ও করে। এখানে একটি ব্রিজ তৈরি হলে তাদের খুব সুবিধা হয়।স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, যোগাযোগের অসুবিধার কারণে এখানে কেউ ব্যবসা বা কোনো কাজে বিনিয়োগ করতে চায় না। ব্রিজ না থাকাটাই এলাকার উন্নয়নের পথে বড় বাধা। অথচ মাত্র দুই কিঃমিঃ দূরে উল্লাপাড়াতে গড়ে উঠেছে শিল্প কারখানা। গ্রামবাসী বলেন, প্রয়োজন হলে তাঁরা ব্রিজের কাজে জন্য স্বেচ্ছাশ্রম দিতেও রাজি আছেন। তবুও আমাদের একটা ব্রিজ চাই।এ সময় গ্রামবাসি বলেন আমাদের এমপি মহোদয় এর কাছে একটাই চাওয়া আমাদের ব্রিজ টা খুব দরকার অতিদ্রুত জানি আমাদের কাজটা করেন দেন।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!