
রবিউল হাসান লায়ন: জামালপুর জংশন রেল স্টেশনে গড়ে উঠেছে প্রায় ডজনখানেক আবাসিক হোটেল। লাইসেন্সবিহীন এসব হোটেলের মধ্যে কতিপয় হোটেল মালিক অসামাজিক কার্যকলাপে নেমেছেন। অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে প্রশাসন সম্প্রতি একটি আবাসিক হোটেল সিলগালা করলেও ওই হোটেলটি ফের চালুর পায়তারা চলছে।
অভিযোগ রয়েছে, জামালপুর জংশন রেল স্টেশনের গাড়ি পার্কিং এলাকায় রেলের জমি কৃষি লিজ নিলেও সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে আবাসিক হোটেলসহ নানা ধরনের ব্যবসায়িক কেন্দ্র।
রেলের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে কৃষি লিজ নেওয়া এসব জায়গায় বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। রেল স্টেশন সংলগ্ন স্থানে কতিপয় আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ এখন ওপেন সিক্রেট হলেও স্থানীয় প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না।
সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ২০/২৫ জন ভ্রাম্যমাণ পতিতা এবং খদ্দেরদের আনাগোনায় চরম বিব্রকর অবস্থায় পড়েন ট্রেন যাত্রীরা। অসামাজিক কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্প্রতি প্রভাবশালী একজন জনপ্রতিনিধি হোটেল মালিকদের সতর্ক করলেও আমলে নেননি কতিপয় অসৎ মালিক।
অভিযোগ উঠেছে, অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে রেল স্টেশনে গড়ে উঠা ‘অন্তি’ নামে একটি আবাসিক হোটেল প্রশাসন সিলগালা করেছে।
আবাসিক হোটেলটি পুনরায় চালু করতে হোটেল কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন মহলের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। গুঞ্জন রয়েছে, প্রভাবশালীদের ম্যানেজ করে বিতর্কিত ওই হোটেলের নামে লাইসেন্স নেবার পায়তারাও চলছে।
রেল স্টেশন এলাকায় অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধে সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থা দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে এমন প্রত্যাশা ট্রেন যাত্রীদের।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান