প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ১৯, ২০২৬, ৮:৪২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ১২, ২০২৩, ১০:১২ পি.এম
আতঙ্কে রয়েছেন সেন্টমার্টিন দ্বীপের ১০ হাজার বাসিন্দা, মোখা আতঙ্কে সেন্টমার্টিন ছেড়েছেন ৩ হাজার মানুষ।

মোহাম্মদ খোরশেদ হেলালী,কক্সবাজার: ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’র কারণে প্রবাল দ্বীপ কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনের বাসিন্দারা রয়েছেন চরম আতঙ্কে। এরই মধ্যে ট্রলারে দ্বীপটি ছেড়েছেন তিন হাজারের বেশি বাসিন্দা। বন্ধ রাখা হয়েছে দোকানপাট।
পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় 'মোখা' আতঙ্কে সাগরে মাছ শিকার না করে উপকূলে ফিরতে শুরু করেছেন সেন্টমার্টিনের জেলেরা। সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের এক মাত্র আয়ের উৎস হচ্ছে সাগরে মাছ আহরণ করে জীবিকা নিবার্হ করা।
এছাড়া ও মোখার প্রভাব থেকে মানুষের নিরাপত্তার জন্য হোটেল ও রিসোর্টগুলো আশ্রয়কেন্দ্র ঘোষণা করেছে প্রশাসন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, বিজিবি ও পুলিশ একযোগে কাজ করছে। ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ শক্তিশালী হয়ে কক্সবাজারের দিকে এগিয়ে আসছে। এটি কক্সবাজারের টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপসহ মিয়ানমারের উপকূল এবং এর আশপাশের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।
তাই সবচেয়ে বেশি আতঙ্কে রয়েছেন সেন্টমার্টিন দ্বীপের ১০ হাজার বাসিন্দা। এরই মধ্যে শুক্রবার (১২ মে) সকাল থেকে মাছ ধরার ট্রলারে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ছেড়েছেন তিন হাজারের বেশি বাসিন্দা। আর যারা এখনও দ্বীপটিতে রয়ে গেছেন তারাও আছেন আতঙ্কে।
দ্বীপের বাসিন্দারা বলেন, মানুষজন আতঙ্কে রয়েছে। যে যেভাবে পারছে দ্বীপ ছাড়ছে। বিশেষ করে মাছ ধরার ট্রলারগুলোতে করে সকাল থেকে কয়েক হাজার মানুষ দ্বীপ ছেড়েছে। সেন্টমার্টিন দ্বীপের বাসিন্দাদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে জানিয়ে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবু সুফিয়ান বলেন, প্রশাসন মানুষজনের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সজাগ রয়েছে। বিশেষ করে সেন্টমার্টিন দ্বীপের মানুষের জীবন রক্ষায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.