
হুমায়ুন কবির সুমন, সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : শুধুমাত্র টাকার অভাবে এক শারিরীক প্রতিবন্ধী বাবার মেধাবী মেয়ে মেডিকেল কলেজে ভর্তি অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। এ মেধাবী শিক্ষার্থীর নাম সুবর্ণা আক্তার স্বর্ণা। সে সিরাজগঞ্জ শহরের মুন্সি মেহেরুল্লা রোডের বাসিন্দা ও সিরাজগঞ্জ বাজার পোস্ট অফিস রোর্ডের চা বিক্রেতা শারীরিক প্রতিবন্ধী মো: শহিদুল ইসলামের মেয়ে।
সুবর্ণা আক্তার স্বর্ণা এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে নীলফামারী সরকারি মেডিকেল কলেজে ৬৩.৭ নম্বর নিয়ে ভর্তির জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। ভর্তি পরীক্ষার ফিসহ মেয়ের লেখাপড়ার খরচ নিয়ে বাবা বড় চিন্তিত হয়ে পরেছে। মেয়ের এমন সাফল্যে খুশি হলেও পড়ালেখার খরচ চালাবেন কীভাবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবার।
সুবর্ণা আক্তার স্বর্ণা এর বাবা শারীরিক প্রতিবন্ধী মো: শহিদুল ইসলাম ও মা আর ছোট বোনকে নিয়ে খেয়ে না খেয়ে কোনোভাবে চলে তাদের সংসার। ছোট বোন সানজিদা আক্তার বর্ষা ৮ম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছে।
কষ্ট করে লেখাপড়া করে সুবর্ণা আক্তার স্বর্ণা সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে ডাক্তার হবার স্বপ্নে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় ৬৩.৭ নম্বর পেয়ে নীলফামারী সরকারি মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পান। মেয়ের ভর্তির লাষ্ট ডেট ১৬ মে ২০২৩ইং তারিখে।
মেয়ের এমন সাফল্যে খুশি হলেও তার মেডিকেলে ভর্তি ও পড়ালেখার খরচ কীভাবে জোগাবেন তা নিয়ে বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবারটি। অর্থাভাবে মেয়ের ডাক্তার হবার স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে কিনা-তা নিয়েও হতাশায় দিন কাটছে তাদের।
স্বর্ণার বাবা মো: শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘মেয়ে মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় আমরা খুশি। আমরা গরিব মানুষ। আমি প্রতিবন্ধী হয়েও শহরের চা বিক্রী করে মেয়েকে লেখাপড়া করিয়েছি। এখন কীভাবে মেয়ের ভর্তি ও লেখাপড়া করাব সেটাই বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি সমাজের বিত্তশালীদের নিকট সাহায্য প্রার্থনা করেছেন। যোগাযোগ মাধ্যম-০১৯১৬১২৩৭০৫।