হোম » প্রধান সংবাদ » সেতু তো নয় যেনো মরন ফাঁদ

সেতু তো নয় যেনো মরন ফাঁদ

সোহেল মিয়া, নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আলমনগর গ্রামে প্রবেশ পথে ভাটা নদীর উপর নির্মিত ৩৫ মিটার কানেকটিভ ব্রীজটি প্রতিষ্ঠার পর থেকেই গলার কাঁটা হয়ে আছে। অতি সরু এই সেতু দিয়ে দীর্ঘ দুই যুগ ধরে উপজেলা শহরে যোগাযোগের জন্য চল্লিশ হাজারের বেশি জনগনের যাতায়াতের অন্যতম এই রাস্তাটিতে নির্মিত সেতুটি ৭/৮ বছর ধরে জরাজীর্ণ থাকায় প্রায়ই ঘটছে ভয়াবহ দূর্ঘটনা। এই সেতুর প্রবেশ পথে দুইপাশে রেলিং ভেঙে যাওয়ায় অটোরিকশা, রিক্সায় যাত্রী নিয়ে প্রায়ই খালে পড়ে ভয়াবহ দূর্ঘটনার শিকার হয়েছেন যাত্রীরা।

 

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, এই পর্যন্ত এমন শতাধিক দূর্ঘটনায় ৫০/৬০ ব্যক্তি পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন।নিহত হয়েছেন ৪ জন মানুষ। সেতুটি সরু হওয়ায় এক পাশে ছোট যানবাহন ঢুকলে অপর পাশে অন্য যানবাহন দাঁড় করিয়ে সাইড দিতে হয়। এলাকাবাসীর দাবি সরকারের এত উন্নয়নের পরও একটি প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার ১নং ওয়ার্ডের এমন জনদুর্ভোগ নজিরবিহীন। দ্রুত এই মরণ ফাঁদ সেতুটি ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ লাগব করতে সংশ্লিষ্টদের সহায়তা কামনা করেন।

 

এই গ্রামের বাসিন্দা ও সাবেক সাংসদ শাহ জিকরুল আহামেদ খোকন দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ’কে বলেন,”অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি আমার আমলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি।তবে এই দাবি আমার এই অঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি। দ্রুত সেতুটি ভেঙ্গে নতুন সেতু করা না হলে আরো দূর্ঘটনার শিকার হতে পারেন পথ যাত্রীরা।আমি যতদূর জানি এই সেতুটির কারণে দূর্ঘটনায় ৫০/৬০ আহত হয়ে পঙ্গুত্ব হয়েছেন, কয়েকজন মারাও গেছেন”

এ ব্যাপারে নবীনগরের উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ নুরুল ইসলাম দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ’কে বলেন, ‘৩৫ মিটার দীর্ঘ গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুটি নির্মাণ করতে প্রায় ২ কোটি টাকা লাগবে। ইতিমধ্যে এলজিইিডির প্রজেক্ট ডিরেক্টর আমার কাছে লিখিতভাবে সেতুটি নির্মাণের প্রাথমিক তথ্যাদি চেয়েছেন। মাননীয় সংসদ সদস্যও মন্ত্রনালয়ের ডিও দিয়েছেন দ্রুত সেতুটি ভেঙ্গে নতুন করে নির্মাণের জন্য। আশা করছি, খুব শ্রীঘ্রই সেতুটি নতুন করে নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ’

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!