হোম » প্রধান সংবাদ » তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে অাবারও মাঠে ইবি কর্মকর্তারা

তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে অাবারও মাঠে ইবি কর্মকর্তারা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) তে  অবারও  তিন দফা দাবি বাস্তবায়নে  কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তা সমিতি। অাজ  সোমবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০ টায় প্রশাসন ভবনের সামনে তাঁদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি,  ও চাকরির বয়সসীমা পুনঃনির্ধারণ,  কর্মঘন্টা কমানো তিন দফা দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রসাশনকে  ৪৮ ঘন্টা সময় বেঁধে দেন,দাবি পূরণ না হলে কঠোর  অান্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন।
কর্মকর্তাদের দাবি গুলো হলো  বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত উপ-রেজিস্ট্রার বা সমমানদের বেতন স্কেল ৫০ হাজার টাকা (গ্রেড-৪), সহকারী রেজিস্ট্রার বা সমমানদের বেতন স্কেল ৩৫ হাজার ৫ শত টাকা(গ্রেড-৬), অফিস সময়সূচি পূর্বের ন্যায় সকাল ৮ টা হতে দুপুর ২ টা পর্যন্ত নির্ধারণ এবং চাকুরীর বয়সসীমা ৬০ বছরের পরিবর্তে ৬২ বছর বহাল রাখা। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে কর্মকর্তারা তাঁদের বেতন স্কেল বৃদ্ধি, কর্মঘন্টা কমানো এবং তা চাকরির বয়স ৬২ বছর করার দাবি জানিয়ে আসছিলো।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বারবার এ সব দাবি নিয়ে গেলেও তেমন কোন সাড়া পাননি কর্মকর্তারা। সর্বশেষ গত ৩১ আগস্ট, সিন্ডিকেট সভায় তাঁদের দাবির ব্যাপারে আশানুরূপ সিদ্ধান্ত না হওয়ায় এ কর্মবিরতির ঘোষণা দেয়।এতে প্রশাসনিক এবং দাপ্তরিক কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে এবং শিক্ষার্থীদের মাঝে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।
কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি শামসুল ইসলাম জোহা বলেন, সাধারণ সভার মাধ্যমে আমাদের দাবি বাস্তবায়ন করতে হবে। আগামী দুই দিনের মধ্যে যদি আমাদের দাবি বাস্তবায়ন না হয়, তাহলে সে দিন থেকে নতুন কর্মসূচি দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে  বিদ্যুৎ,পানি, মেডিকেল বিভাগকে এ কর্মসূচির আওতামুক্ত বলে জানান তিনি।

রেজিস্ট্রার দফতর সূত্রে জানা যায়,  ২৪৩ তম সিন্ডিকেট সভায় গঠিত রিভিউ কমিটির প্রতিবেদন গত ৩১ আগস্ট অনুষ্ঠিত ২৪৬ তম সিন্ডিকেট সভায় বেতন স্কেল প্রদানের জন্য সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং চাকরির বয়স ৬২ বছর দাবিটি সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়েছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরিত হয়েছে।

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, সরকারি বিধিবিধানকে সমুন্নত রেখে কর্মকর্তাদের দাবির প্রতি আমি সম্পূর্ণ সহানুভূতিশীল। চাকরির বয়স ৬২ বছর দাবিটি সিন্ডিকেটে সুপারিশ করা হয়েছে এবং মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে প্রেরণ করা হয়েছে। বেতন স্কেল বৃদ্ধির দাবিটি বাস্তবায়নের জন্য সিন্ডিকেট কর্তৃক সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে এবং বাস্তবায়নের নীতিমালা প্রণয়নে কমিটি গঠন করা হয়েছে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!