
গোলাম রব্বানী দুলাল: বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহারে দীর্ঘ প্রায় ১২ বছর পর বঙ্গবন্ধু আন্তঃজেলা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্ণামেন্ট শুরু হয়েছে। যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে খেলার প্রতি আগ্রহী করার লক্ষ্যে এই টুর্ণামেন্টের আয়োজন করেছে যৌথভাবে সান্তাহার পৌর ক্রীড়া সংস্থা ও সান্তাহার ফুটবল একাডেমি ।

গত ১৩ জানুয়ারি (শুক্রবার) বিকেলে থেকে সান্তাহার আধুনিক স্টেডিয়ামে এই টুর্ণামেন্ট শুরু হয়েছে। ১৬ জেলার অংশ গ্রহন করছে চলছে এই টুর্ণামেন্ট। খেলার মাঝেও নিজেদের ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা পালন করে মাঠে নামায পড়ছে মাঠে খেলা দেখতে আসা দর্শক ও খেলোয়াড়রা।
বেশ কিছু খেলায় সান্তাহার আধুনিক স্টেডিয়ামে গিয়ে সরজমিনে দেখা যায় খেলা চলাকালীন সময়ে আছরের আযান দিচ্ছে। আযান শেষে স্টেডিয়ামের ভি.আই.পি গ্যালারির সামনে নামায পড়ার ব্যবস্থা করে আয়োজকরা। খেলার বিরতি দিয়ে জামাতের নামাযের আয়োজন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ এলাকার জনগণের কাছে থেকে প্রংশসা পাচ্ছে আয়োজকেরা।
সান্তাহার স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা তরুন নামের এক দর্শক বলেন, আমি ফুটবল খেলা দেখতে খুব পছন্দ করি। আমি প্রতিটি খেলায় স্টেডিয়ামে বসে দেখি। আমি ৫ ওয়াক্ত নামায পড়ার চেষ্টা করি।
খেলা দেখতে আসলে আযান দিলে স্টেডিয়াম থেকে বের হয়ে মসজিদে গিয়ে নামায পড়ে আসতে হয়। আবার খেলাও শেষের দিকে হয়ে যায়। স্টেডিয়ামেই জামাতের সাথে নামায আদায়ের ব্যবস্থা করাই এবং নামাযের জন্য খেলার বিরতি দেওয়াই ধন্যবাদ জানাই আয়োজকদের।
সান্তাহার পৌরসভার মেয়র ও পৌর ক্রিয়া সংস্থার সভাপতি তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু বলেন, সান্তাহার স্টেডিয়ামে এই প্রথম খেলা দেখার মাঝে দর্শক সহ সকলের জন্য আমরা নামাযের ব্যবস্থা করেছি। প্রতিটি খেলার বিরতির সময়ে আমরা মাঠে আছরের নামায জামাতের সাথে আদায় করার ব্যবস্থা করেছি।
সান্তাহার পৌর ক্রিয়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মকবুল হোসেন জোয়ার্দার বলেন, আমাদের দেশের বেশি ভাগ মানুষই মুসলিম। খেলা সময় আছরের নামাযের সময় হয় যার কারণে আমরা মাঠে নামাযের ব্যবস্থা করেছি।