
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পল্লীবিদ্যুৎ অফিসের বিরুদ্ধে গ্রাহকদের ওপর ভুতোরে বিল চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ডিসেম্বর মাসে যে বিল দেওয়া হয়েছিল, জানুয়ারিতে তার তিন গুণ বিল দেওয়া হয়েছে। গ্রাহকরা বিদ্যুৎ অফিসে বিল সংশোধন করতে গেলে বিল প্রস্তুতকারী শামীমা বেগম তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।
এর প্রতিবাদে গোবিন্দপুর এলাকায় গত বৃহস্পতিবার বিকেলে গ্রাহকদের নিয়ে বাসদ (মার্ক্সবাদী) মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে। মানববন্ধনে বক্তব্য দেন দলের জেলা সমন্বয়ক মো. আলাল মিয়া, ব্যবসায়ী সিরাজ উদ্দিন, কৃষক জমির উদ্দিন, এবায়দুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন। বিল প্রস্তুতকারী শামীমার অপসারণও দাবি করেন। আলাল মিয়া তাঁর বক্তব্যে বলেন, তাঁর গোবিন্দপুর গ্রামের বাড়ির একটি মাত্র ঘরে মিটার রিডিং অনুযায়ী ডিসেম্বরে খরচ হয়েছিল ১০ ইউনিট। বিল আসে ৮২ টাকা। মিটার রিডিং অনুযায়ী জানুয়ারি মাসেও খরচ হয়েছে ১০ ইউনিট। কিন্তু ৭৫ ইউনিট খরচ দেখিয়ে বিল করা হয়েছে ৪৭৯ টাকা।
বিদ্যুৎ ব্যবহারকারী সকল গ্রাহকদের সঠিক বিল প্রেরণ না করলে এ ধরনের কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি ঘোষণা করেন।
এদিকে উপজেলার দক্ষিণ পুমদি এলাকার মামুনের ডিসেম্বর মাসে বিল আসে ১ হাজার ৩০০ টাকা। অথচ জানুয়ারি মাসে বিল চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে ৪ হাজার ৭৮০ টাকা।
ডাহরা এলাকার গ্রাহক হুমায়ুন কবিরের ডিসেম্বরে বিল ছিল ২ হাজার ৪৯১ টাকা। জানুয়ারিতে বিল দেওয়া হয়েছে ৭ হাজার ৩৫৭ টাকা। সবারই বিলের সঙ্গে মিটার রিডিংয়ের চরম অসংগতি রয়েছে।
এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জি এম প্রকৌশলী মো. জুলফিকার বলেন, এ ধরনের বাড়তি বিল করার কোনো নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। গ্রাহকরা তাঁর কাছে বিল নিয়ে অভিযোগ করলে তিনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

আরও পড়ুন
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি
চিলাহাটি রেলস্টেশনে দুই শিশু সন্তানসহ মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা
সরকারি সহায়তার নামে কোটি টাকার প্রতারণা: চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘মাসকুরা ট্রেডার্স’ এর বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধ