
আওয়াজ অনলাইন: সত্যিই কি এলিয়েন বলে কিছু আছে? বিষয়টি বৈজ্ঞানিক মহলের কাছে বিবেচনার জন্য অত্যন্তই গুরুত্বপূর্ণ। বিভিন্ন সময় আমাদের কাছে বিভিন্ন তথ্য আসতে থাকে, যেখানে দাবি করা হয় ভিনগ্রহীদের সম্পর্কে উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য এবার এক অদ্ভুত রঙের ইটের সন্ধান মিলল, যা নিয়ে বিজ্ঞানীমহলে রীতিমতো চিন্তার ঢেউ পড়ে গেছে।
সমুদ্র থেকে ৩০০০ মিটার নীচে ‘হলদে ইটের রাস্তা’র সন্ধান মিলেছিল। আটলান্টিসের কাছে এই রাস্তা খুঁজে পেয়েছিলেন ইউরাল ফেডারেল ইউনিভার্সিটি (ইউআরএফইউ) এবং ইউনিভার্সিটি অফ টিউবিনজেন (জার্মানি) এর গবেষকরা। সমুদ্র অনুসন্ধানকারী ভেসেল নটিলাস জলতলের এই অদ্ভুত হলদে রঙের রাস্তায় সর্বপ্রথম ধাক্কা খেয়েছিল।
ওই জাহাজটি প্রশান্ত মহাসাগরের হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জের ঠিক উত্তরে একটি গভীর সি রিজ অন্বেষণ করছিল। নটিলাস নামক ওই ভেসেলটি যখন পাপাহানাউমোকুয়াকে মেরিন ন্যাশনাল মনুমেন্ট (PMNM) এর মধ্যে Liliʻuokalani রিজ সার্ভে করছিল, তখনই পরিলক্ষিত হয়েছিল ইটের রাস্তাটি।।
একজন গবেষক বললেন, “আতলান্তিস যাওয়ার এটাই রাস্তা।” আর একটা কণ্ঠে শোনা গেল, “এটা হলুদ ইটের রাস্তা।” অন্য একজন যোগ করলেন, “সত্যিই কী অদ্ভুত।” বিস্ময়-মাখা গলায় তাঁর আরও প্রশ্ন, “তুমি কি আমার সঙ্গে মজা করছ? অবাক হয়ে যাচ্ছি আমি!” তবে এই কথোপকথনের থেকেও মজাদার বিষয়টি হল অদ্ভুত ওই হলুদ রাস্তা দেখার মুহূর্ত কেমন ছিল, তা এখন ইউটিউবে সকলে দেখতে পাবেন।
আসলে এমন হওয়ার উল্লেখযোগ্য কোনো কারণ না জানা গেলেও অনেক বিষয়ে চিন্তা করা যাচ্ছে। যা বিজ্ঞানীদের বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।
এলিয়েনদের যাতায়াতের পথ বা অন্য কিছু বিরাট অন্বেষণের কথা ভেবে যাঁরা এখনও মাথা চুলকাচ্ছেন, তাঁদের এবার হয়তো একটু হতাশই হতে হবে। আসলে, আগ্নেয়গিরির পাথরে ফাটলের ফলে এই ধরনের হলুদ ইটের রাস্তা তৈরি হয়। ইউটিউব ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “এই ৯০ ডিগ্রি ফ্র্যাকচারগুলি সম্ভবত আগ্নেয়গিরির শিলায় উত্তাপ এবং শীতলতা থেকে সৃষ্ট চাপের কারণে তৈরি হয়েছে।” দূর থেকে এই ফ্র্যাকচারগুলিকেই মনে হচ্ছে ইট, যা একদমই নয়।
গবেষকদের এই দাবি যে একেবারে অসত্য তা বলা কঠিন। তারা বিভিন্ন উপসর্গ থেকে এমন বিবৃতি দিয়ে থাকেন। সমূদ্রের ভিতরে এমন বিরল রাস্তা হতেই পারে। কারণ পৃথিবীর বয়স কয়েক কোটি বছর। আজকের পৃথিবী , এক হাজার বছর আগে এমন ছিলো না। বিভিন্ন স্থাপনা থেকে যেতে পারে এটা খুবই স্বাভাবিক বলে বিজ্ঞানীদের একাংশের ধারণা।