
টঙ্গী প্রতিনিধি: ঢাকায় বিএনপির সমাবেশকে সামনে রেখে নিজেদের জানান দিতে টঙ্গীতে বিশাল শোডাউন করেছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতির নেতৃত্বে শোডাউনটি শুরু হয়।
গত শুক্রবার বিকাল ৪টা থেকে টঙ্গীর নতুন বাজার অবস্থিত আওয়ামী লীগ পার্টি অফিস জড়ো হয় প্রায় ১২ হাজার নেতাকর্মী। এসময় লাঠি, বাঁশি হাতে দলবেধে অবস্থান নেয় তারা। এরপর মিছিলটি স্টেশনরোড হয়ে চেরাগআলী, কলেজগেট, এরশাদনগর হয়ে সড়কে মিছিল আর স্লোগানে সরব ছিলো এলাকার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা। সরকারের পাশাপাশি সমাবেশ ঘিরে বিএনপি নেতাকর্মীদের রাজপথ দখল ঠেকাতে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা মাঠে নেমে পড়েন। ক্ষমতাসীন দলের নেতারাও বিএনপির যে কোনো ধরনের ‘নাশকতা ঠেকাতে’ এমন তৎপরতা বাড়ানোর পদক্ষেপ বলে জানিয়েছেন।
তারা জানান, ঢাকার পাশাপাশি টঙ্গী তথা গাজীপুরে নেতাকর্মীরা সতর্ক রয়েছেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দলের এক সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশনার পর সোচ্চার হয়েছেন নেতাকর্মীরা গত শুক্রবার বিকাল থেকে টঙ্গীর নোয়াগাঁও এলাকায় গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মতিউর রহমান মতি বিভিন্ন পয়েন্টে নেতাকর্মীদের নিয়ে মিছিল ও মহড়া দিয়েছে।
মতিউর রহমান মতি জানান, গতকাল থেকেই নেতাকর্মীরা বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান নিয়ে আছে। আমরা অনেকগুলো ভাগ করে দিয়েছি। উত্তরঅঞ্চল থেকে ঢাকার প্রবেশ পথগুলোতে কেউ যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা করতে না পারে সেজন্য সতর্ক পাহারায় আছি। সবগুলো পয়েন্টে আমাদের লোকজন পাহারায় আছে।
তিনি বলেন, বিএনপি যেভাবে ঢাক ঢোল পেটাচ্ছিল সেটা এখন দেখি কিছুই হবে না। রাজনৈতিক দল সভা-সমাবেশ করতে পারে, মিছিল-মিটিংও করতে পারে। তাতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না। কিন্তু সমাবেশের নামে আগুন সন্ত্রাস করলে, হানাহানি করলে, অগ্নি সন্ত্রাস করলে, মানুষ পুড়িয়ে মারলে তা মোকাবিলা করতে সবাই সতর্ক আছেন। মিছিলে নেতাকর্মীদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- টঙ্গী থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুল হক, জয়নাল আবেদীন, টঙ্গী পূর্ব থানা আওয়ামীলগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী নূরুল ইসলাম নূরু. মজিবুর মোড়ল, মহানগর আওয়ামী যুবলীগের সাইফুল ইসলাম, আমান উদ্দিন সরকার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিল্লাল হোসেন, মোয়াজ্জেম হোসেন, কেএম নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড কাউন্সিলরগণ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ, শ্রমিকলীগ, ছাত্রলীগ।