
রবিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে চরছোনগাছা আলহাজ্ব শমসের আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে এনামুল হক শিক্ষক হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর সাথে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। বিষয়টি বিদ্যালয়ে জানাজানি হলে ছাত্রীর পরিবার মানসম্মান হারানোর ভয়ে শিক্ষকের সাথে মেয়েকে বিয়ে দেন। ছাত্রীর বয়স কম হওয়ায় তার পরিবার বিয়ের বিষয়টি গোপন রাখে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানি হলে বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরালও হয়েছে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম, সহকারী শিক্ষক মাসুদ রানা ও অফিস সহকারী জাহাঙ্গীর হোসেন মিলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবগত না করে গোপনে দেনদরবার করে বিষয়টি মিমাংশা করেছে।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক এনামুল হকের মোবাইল ফোন বন্ধ ধাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। চরছোনগাছা আলহাজ্ব শমসের আলী উচ্চ বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। বর্তমানে শিক্ষক এনামুল হক তার মায়ের অসুস্থ্যতার কারণে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ছুটি নিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাথে আলোচনা করে সিধান্ত নেওয়া হবে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এধরণের ঘটনা যদি ঘটে থাকে, তাহলে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক কর্মকর্তা এলিজা সুলতানা জানান, এ বিষয়ে আমি অবগত নয়। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। যদি এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।