
সৈয়দপুর গামী বাসের যাত্রী হেলাল শেখ বলেন, সকালে বাস স্ট্যান্ডে এসে টিকিট কাটার সময় কাউন্টারের লোকজন বলে দুইদিনের জন্য রংপুর মুখী কোন গাড়ী যাবে না। কি কারনে বাস যাবে না যেটা ঠিক মতো বলে নাই তারা। নিরুপায় হয়ে বাড়িতে চলে যাচ্ছি।
সিরাজগঞ্জ জেলা বাস মিনিবাস ও কোচ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী মো. আতিকুর রহমান আতিক জানান, রংপুরের বাস ও মালিকেরা দুইদিনের পরিবহন ধর্ম ঘটের ডাক দিয়েছে। রংপুর বাস মালিকদের পক্ষ থেকে আমাদেরও রংপুরে বাস না পাঠাতে বলেছেন। এ কারণে দুদিন বাস বন্ধ রাখা হয়েছে। সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু বলেন, রংপুরে বিএনপি’র সমাবেশে জেলা থেকে নেতাকর্মীরা যাবেন। একারনে সমাবেশ বানচাল করতে বাস চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। বিএনপি’র যে সকল নেতাকর্মীরা যাওয়ার ঠিকই বিকল্প পথে চলে গেছেন।
জেলা যুবলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল হক বলেন, সমাবেশের নামে বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও করে জনগণের শান্তি বিনষ্ট করলে সরকার বসে থাকবে না। যুবলীগ মাঠে নামলে বিএনপির আন্দোলন সংগ্রাম আগের মতো হাওয়ায় মিশে যাবে। রংপুরে বিএনপি’র সমাবেশের আগের দিন থেকে জেলা থেকে কোন বাস রংপুরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে না উল্লেখ করে একরামুল হক বলেন, বিগত দিনে বিএনপির নেতাকর্মীরা যেভাবে পরিবহনে জ্বালাও পোড়াও করেছে। এরকারনে সমাবেশে নাশকতার আশঙ্কা থাকায় বাস বন্ধ করে দিয়েছে পরিবহনের নেতাকর্মীরা। এতে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ নেই বলে তিনি জানান।
উল্লেখ্য, মহাসড়কে অবৈধ যান চলাচল বন্ধসহ কয়েকটি দাবিতে শুক্রবার সকাল থেকে অভ্যন্তরীণ ও দূরপাল্লার সব রুটে বাস চলাচল বন্ধের ঘোষণা দেয় রংপুর জেলা বাস মালিক সমিতি। বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছে, গণসমাবেশে মানুষের উপস্থিতি ঠেকাতে বাস বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে বাস মালিক সমিতির নেতারা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।