
তৃতীয় লিঙ্গের চেয়ারম্যার প্রার্থী আলী আজম ওরফে সাথী বলেন, ‘আমি বড়তারা দুই নম্বর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন করছি। আমি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী। আমার মার্কা চশমা। আমার বউ-বাচ্চা কিছুই নেই। আমি তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ। নির্বাচনে পাশ করতে পারলে জনসেবা করবো। তাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নেমেছি।’
তিনি বলেন, ‘পাশ করতে পারলে সরকারের অনুদান যা আসবে সকলের মাঝে তা বিলিয়ে দেব। আমার কোন স্বার্থ নেই। নির্বাচনে ভোটারদের খুবই সাড়া পাচ্ছি। ইনশাল্লাহ পাশ করার আশা আছে।’
স্থানীয় ভোটার আল-আমিন বলেন, চেয়ারম্যান পদে পাঁচজন প্রার্থীর মধ্যে তৃতীয় লিঙ্গের আজম আলী সাথীর ব্যবহার খুবই ভালো। জনগণের কারণেই তিনি ভোটে দাঁড়িয়েছেন। ওই ইউনিয়নের ভোটার যামুহালি গ্রামের রাজ্জাক হোসেন বলেন, পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে যেই পাশ করুক এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করলেই হলো।
আজম আলী সাথীর সহোদর ভাই সাইফুল ইসলাম বলেন, আলী আজম আমার বড় ভাই। তিনি তৃতীয় লিঙ্গের। ইউপি নির্বাচনে এবার চেয়ারম্যান পদের প্রার্থী হয়েছেন।
এ ব্যাপারে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও রির্টানিং অফিসার আনিছার রহমান বলেন, আগামী ২ নভেম্বরে ইভিএম এর মাধ্যমে জেলার বড়তারা ও তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। দুই ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে সাতজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর মধ্যে বড়তারা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে তৃতীয় লিঙ্গের একজন প্রার্থী আছেন। পুরুষের তালিকায় তার নাম রয়েছে। বড় সন্তান হওয়ায় তার নাম পরিবর্তন করেননি বলে জানিয়েছেন।