
খুলনা প্রতিনিধি: খুলনার রূপসায় বসত ঘর ভাঙচুর ও সবজি ক্ষেত নষ্ট করে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত ১৬ অক্টোবর সকাল দশটায় টিএসবি ইউনিয়নের গোয়ালবাথান গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। গতকাল ১৮ অক্টোবর ভুক্তভোগী নুর ইসলাম এ ব্যাপারে প্রতিকার পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছে। ভুক্তভোগী নুর ইসলাম শেখ জানান, উপজেলার গোয়ালবাথান মৌজার ৯১ সিএস খতিয়ানে বেশ কয়েকটি দাগে ২ একর ৮৯ শতক জমি রয়েছে।
গোয়ালবাথান গ্রামের মৃত বাতেন শেখ এর স্ত্রী সালেহা বেগম উক্ত খতিয়ানের ২২১ নং দাগে ৮ শতক, ২২২ নং দাগে ১৯ শতক ও ২১৭ নং দাগে ৭ শতক জমি সিএস ও এসএ বুনিয়াদে পৈত্রিক এবং ক্রয় সূত্রে প্রাপ্ত হন। ওই জমিতে সালেহা বেগমের ওয়ারেস নুর ইসলাম শেখ গং দীর্ঘ দিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে ভোগ দখল করে আসছে। কিন্তু ১৯৯৫ সালে মাঠ জরিপে ভুলবশত বারিক মোড়লের নামে ওই জমি বিআরএস রেকর্ড হয়। পরবর্তীতে নুর ইসলাম গং রেকর্ড ও পর্চা তুলতে গিয়ে দেখেন সম্পূর্ণ রেকর্ড বারিক মোড়লের নামে রয়েছে। তখন তারা খুলনা জজ কোর্টে ওই রেকর্ড বাতিলের জন্য মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং ৫৬/৯৭। ওই মামলায় ২২১ নং দাগের ৮ শতক জমির রায় পায় নুর ইসলাম গং। বাকি সম্পত্তির এওয়াজ সূত্রের অংশের জন্য হাইকোর্টে আপিল করেন।
যা এখনো চলমান রয়েছে। আপিল রিভিশন নং ১৫২৯, তারিখ ২-১০-২০১৮। হাইকোর্ট ওই সম্পত্তিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এদিকে বারিক মোড়লের মৃত্যুর পর বড় মেয়ে জরিনা বেগম ও তার ছেলে ইউনুস ফকির হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে প্রভাবশালীদের প্রত্যক্ষ মদদে সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে নুরুল ইসলামদের বসত ঘর ভাঙচুর ও কৃষি ফসলাদি নষ্ট করে। এছাড়া তাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি ও জীবননাশের হুমকি দিয়ে চলেছে। বিষয়টি সুরাহারা জন্য ভুক্তভোগীরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের দ্বারে দ্বারে ঘুরেও কোন সমাধান পাচ্ছে না।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান