প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৩, ২০২৬, ১১:০৭ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২, ৫:৫৭ পি.এম
কাজিপুরে জমিজমাকে কেন্দ্র করে তিন ব্যক্তিকে কুপিয়ে জখম, আদালতে মামলা

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের চরাঞ্চলে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে রামদা ও ফলার আঘাতে মারাত্মক জখমের অভিযোগ এনে সিরাজগঞ্জ আদালতে একটি মামলা করা হয়েছে। গত ১৪ সেপ্টেম্বরে উপজেলার নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের গোয়ালবাথান গ্রামের চাঁন মিয়া বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এতে বিশ জনকে আসামী করা হয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় নিশ্চিন্তপুরের গোয়ালবাথান গ্রামের লুৎফর ডাক্তারের বাড়ির পূর্বপাশে এ হামলার ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মোক্তাল ও মহর আলী নামের দুইজনকে রাজধানীর পিজি হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়েছিল।
মামলার এজাহার ও সরেজমিন সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ১৭৫ বিঘা জমি নিয়ে নজরুল মাস্টার ও মালেক মেম্বর গ্রুপের দ্বন্দ্ব চলছিল। তারই জের ধরে গত ১১ সেপ্টেম্বর বিকেলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ওই জমির দখলে যান মালেক মেম্বর গ্রুপের লোকজন। দখলে এসে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন প্রতিপক্ষের লোকজনকে। তখন মহর আলী এগিয়ে গেলে কোন কথা না বলে সরাসরি মোনারুল ইসলাম (৪০) নামের এক যুবক তার মাথায় রামদা দিয়ে কোপ দেয়। এসময় তিনি ডাক চিৎকার দিলে তারই ভাই মোক্তাল এগিয়ে গেলে তাকেও কোপ দেয় নজু ভুঁইয়া (৪৫)। চিৎকারে স্বজনরা এগিয়ে গেলেও রক্ষা পাননি আব্দুল মান্নানের ছেলে মানিক, আব্দুল খালেকের স্ত্রী চামেলী খাতুন।
গোয়ালবাথান গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য চাঁন ব্যাপারী বলেন, মারামারির খবর শুনে দৌঁড়ে গিয়ে উভয় পক্ষকে ঠেকানোর চেষ্টা করি। তাঁরা আমার নিষেধ না মেনে বরং বিপ্লব নামের একজন আমাকে ফলা দিয়ে ঘা মারে। আমি যদি পিছন দিক না সরতাম তাহলে একেবারে পেটের মধ্যে ঢুকে যেত। তাও পেটের একপাশে জখম হয়েছে।
আহত চামেলী খাতুন বলেন, আমি মহিলা মানুষ বাবা! কায়জা ঠেকাইবার গেছিলাম। কয় যে ওই শালিক আগে ধর, কয়াই আমাক রড দিয়া মাথাত বাড়ি মাইরলো। আমি অজ্ঞান হয়া পইরা গেছিলাম। তারপর কিছুই জানিনা।
এ ব্যাপারে কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মামলাটি থানায় রেকর্ড করা হয়েছে। নাটুয়ারপাড়া পুলিশ ফাঁড়ির এস.আই মিজানকে মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.