
শাহজাহান সিরাজ : গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসি’র প্রশিক্ষনার্থীদের জন্য সরকার এবং চলমান প্রজেক্ট গুলো ব্যাচপ্রতি কত টাকা খরচ দেয়, আর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তা ব্যক্তিরা সত্তিকার অর্থে প্রশিক্ষনার্থীদের পিছনে জনপ্রতী প্রাপ্ত সমুদয় টাকা আদৌ খরচ করেন কিনা তা পরিষ্কারভাবে জানতে চায় সচেতন গাইবান্ধাবাসী।
এই টিটিসি গাইবান্ধায় আরো একটি উদ্বেগের বিষয় হলো এখানে চলমান আইএলও প্রজেক্টটি তাদের টোটাল বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধা কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র টিটিসি’র অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোঃ আবদুর রহিম মুঠোফোনে জানান, মেয়াদ শেষ হওয়ায় আইএলও প্রজেক্ট সারাদেশেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে গাইবান্ধায় এই আইএল ও প্রোজেক্টের বরাদ্দ কেন বন্ধ রয়েছে তার কোন সদুত্তর তিনি দেননি।
এছাড়া ওয়েল্ডিং সেকশনের ইনস্ট্রাক্টর ইমদাদুল হক বাচ্চুর নিকট লোহাসহ ব্যবহৃত ওয়েস্টেজ মালামাল সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্যবহার করতে করতে এগুলো আরো ছোট হয়ে যায় এবং গূড়োহয়ে যায়, সেগুলো ফেলে দেয়া হয়।
সরকারের এই মহতি একটি উদ্যোগ, যেখানে শুধুমাত্র ৪৮ টাকা দিয়ে ভর্তি হয়ে তিন মাস মেয়াদী বিভিন্ন সেকশনে প্রশিক্ষণ নিতে পারছেন গাইবান্ধার তরুণরা, সেই ধরনের সুন্দর একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষনার্থীদের জন্য দেয়া সরকারি বরাদ্দ কিংবা প্রজেক্ট কর্তৃক দেয়া বরাদ্দ বিভিন্ন কৌশলে লুটপাট হচ্ছে কি’না এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাইবান্ধার জেলা প্রশাসক মোঃ অলিউর রহমান জানান, বিষয়টি অবশ্যই খতিয়ে দেখা হবে।

আরও পড়ুন
বগুড়ায় সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে অস্ত্র হাতে মহড়া দিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি: প্রার্থী রনি গ্রেপ্তার
লালমোহনে বাস চাপায় প্রাণ গেল শিশুর
মির্জাপুরে মারধর ও ধর্ষণের ফলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রবাসীর স্ত্রীর মৃত্যু