প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৪, ২০২৬, ১১:৪৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২, ৫:২৫ পি.এম
নাগরপুরে পাটের বাম্পার ফলন কৃষকের মুখে হাসি

মোঃ তারিকুল ইসলাম -নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: নাগরপুরে চলতি মৌসুমে পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম ভাল পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন এই উপজেলার পাট চাষীরা। সব মিলিয়ে সোনালি আঁশ ও রুপালি কাঠি বিক্রি করে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর পাটের ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা এ বছর পাট চাষের দিকে বেশি ঝুঁকেছেন। চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও মাটি চাষের উপযুক্ত হওয়ায় পাট চাষে সফল হয়েছেন চাষীরা। গত বছর উপজেলার ১ হাজার ৩৫০ হেক্টর জমিতে ১৪ হাজার ৭৭০ বেল্ট পাট উৎপাদন হয়েছিলো। চলতি মৌসুমে ১ হাজার ৩৬০ হেক্টর জমিতে চাষের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ১ হাজার ৭৪৬ হেক্টর জমিতে। উৎপাদন লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ হাজার ৪৩৪ বেল্ট।
কৃষি অফিস ও স্থানীয় কৃষকরা জানায়, টাঙ্গাইলে দেশি, তোষা, মেশতা, রবি-১ জাতের পাটের আবাদ হয়েছে। তবে উচ্চ ফলনশীল তোষা জাতের পাট চাষ বেশি হয়েছে। প্রতি বিঘায় ৬ থেকে ১০ মণ পাট পাওয়া গেছে। পাট বিক্রি হচ্ছে তিন থেকে চার হাজার টাকায়। সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে পাট কাটা, জাগ দেওয়া, পাট থেকে আঁশ ছাড়ানো ও শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা। এবার বর্ষায় নদী, নালা, খাল ও বিলে পানি থাকায় পাট জাগ দিতে তেমন কোনো সমস্যায় পড়তে হচ্ছে না চাষীদের।
নাগরপুর থানার ভাড়রা ইউনিয়নের কৃষক সামেজ উদ্দিন বলেন, ‘এ বছর আমি দুই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। আবহাওয়া ভালো থাকায় পাটের বাম্পার ফলন হয়েছে। দুই বিঘা জমিতে ১২ মণ পাট ও ১ হাজার ২০০ আটি পাট কাঠি পেয়েছি। প্রতি মণ পাট ৩ হাজার ৮০০ টাকা ও প্রতি আটি পাট কাঠি পাঁচ টাকা দরে বিক্রি করেছি।’
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ আঃ মতিন বিশ্বাস বলেন, ‘১৫০ পাট চাষীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় রবি-১ নামে পাট বীজ উৎপাদন করার জন্য চাষীদের বীজ ও সার দেওয়া হয়েছে। চাষীদের যে কোনো সম্যস্যা সমাধানের জন্য আমরা সব সময় মাঠেই আছি।’
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.