প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৩, ২০২৬, ৫:১৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ২০, ২০২২, ৫:০৬ পি.এম
ভৈরবে ভেজাল মসলা কারখানায় অভিযান ৪ কারখানা সিলগালা।।

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইটের গুঁড়া ও ক্ষতি কারক রং মিশিয়ে মসলা তৈরির অভিযোগে ৪ কারখানাকে সিলগালা ওবাদল মিয়া নামে এক কারাখানা মালিককে এক লক্ষ টাকা অর্থদন্ড করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এসময় বাদল মিয়ার কারখানও সিলগালা করা হয়। সহ গতকাল ১৮ আগস্টআগস্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়। অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভৈরব বাজারের হলুদ পট্টিতে এলাকা আদালত পরিচালিত হয় । ভ্রাম্যমাণ আদালতে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট হি উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার জুলহাস হোসেন সৌরভ
অভিযানের করতে বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন গিয়ে তিনি বলেন,গতকাল ১৮/০৮/২০২২ খ্রি. তারিখ সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত ভৈরব বাজার হলুদ পট্টিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। দিনভর কাজ করা শ্রমিকগুলোও বলতে চায়না কোন গুদাম/কারখানাটি কার। আর কতিপয় গুদামও মুহুর্তের মধ্যে বেনামী হয়ে গেল।নানা নাটকীয়তার পরে খুঁজে পাওয়া যায় একটি গুপ্ত মিলের যেখানে রয়েছে ভেজাল মিশ্রিত প্রায় ৫০০ কেজি হলুদের গুঁড়ো, ৫০০ কেজি মরিচের গুঁড়ো এবং প্রায় ২০ বস্তা ভর্তি পচা মরিচ। হলুদের মধ্যে নিম্নমানের চাল, চালের কুড়া ; মরিচের সাথে রঙ, ইটের গুড়ো মিশিয়ে ভেজাল মসলা তৈরী করা হচ্ছে। ভেজাল পণ্যগুলো বিনষ্ট করে মালিকবিহীন মিলটি সিলগালা করা হয়। আরও একটি মালিকবিহীন গুদামের সন্ধান পাওয়া যায় যার মধ্যে ছিল প্রায় ১৫০০ কেজি ভেজাল হলুদ। দীর্ঘ ২ ঘন্টা পরে অনেক ভোগান্তির পর জানা যায় এটার মালিক বাদল মোল্লা। তাকে এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড করা হয় এবং ভেজাল হলুদ বিনষ্ট করে মালিককে সতর্ক করা হয়। জানান তিনি।
এসময় আরও ৪টি গুদাম ঘর সিলগালা করা হয়। অভিযান অব্যাহত থাকবে। বলেও জানান তিনি। ভ্রাম্যমাণ আদালতে সহযোগী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভৈরব পৌর স্যানিটারী ইন্সপেক্টর নাছিমা বেগম। এছাড়াও ভৈরব শহর পুলিশ ফড়ির পুলিশ সদস্য গণ উপস্থিত ছিলেন।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.