
মো: সবুজ ইসলাম,রাণীশংকৈলঃ পাঁচ একর জমিতে নতুন জাতের ধান আবাদকরে পাঁচ লাখ টাকার সেই ধানের বীজ বিক্রি করে এলাকায় আলোড়ন সৃষ্টিকরেছেন ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষক খলিলুর রহমান।উচ্চ ফলনশীল ব্রি-৯৩ জাতের ধানের বীজ ৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করায় সেই এলাকার প্রত্যেকের মুখে মুখে এখন খলিলের নাম। সেই ধানের বীজ থেকে উৎপাদিত ধানেরচারা দেখতে রাতোর ইউনিয়নে ছুটছে বিভিন্ন এলাকার কৃষক। এস.এম.ই কৃষক খলিলুর রহমান জানান, আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান,গম ও পাট বীজ উৎপাদন,সংরক্ষণ এবং বিতরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ব্রি-৯৩ জাতের ধানের বীজ সগ্রহ করি।
কৃষি অধিদপ্তরের সহযোগিতা এবং পরামর্শ নিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে গত ২১-২২ অর্থবছরে আমন মৌসুমে ৫ একর জমিতে এ ধানের বীজ রোপণ করে তা থেকে ১৫ টনের অধিক ধান উৎপাদন করি। এ ধানের বীজ স্থানীয় কৃষকদের কাছে৪০ টাকা কেজি দরে ৫ লক্ষ টাকার বীজ বিক্রি করি। বাকি ২-৩ টন ধান খাদ্য হিসেবে সংগ্রহ করি। ব্রি-৯৩ জাতের ধানের বীজ রোপণকারী কৃষক ফরিঙ্গাদিঘি এলাকার আসাদুজ্জামান রাজু বলেন, আমি এস.এম.ই কৃষক খলিলুরের কাছ থেকে ৩০ কেজি বীজ ক্রয় করে রোপণ করি। এ পর্যন্ত এ ধানের রোগ বালাই নেই বললে চলে। আশা করছি এ ধান থেকে ভাল ফলন পাব। রাতোর ইউনিয়নের কৃষক শামসুল আলম জানান, আমি এ জাতের ধানের বীজ রোপণ করি এবং ধানের চেহারাও অনেক ভাল।
ধান লাগানোর সময় যে খরচ অন্যান্য ধানের চেয়ে এর খরচ কম। আশা করছি আমিও খলিলের মতো বীজ উৎপাদন করব ইনশাল্লাহ। এপ্রসঙ্গে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, রাতোর ইউনিয়নের এস.এম.ই কৃষক খলিলুর রহমান কৃষি অফিস থেকে বিনামূল্যে ৫০ কেজি ব্রি-৯৩ জাতের বীজ নিয়ে ৫ একর জমিতে চাষ করে ১৫ টন ধান উৎপাদন করে সরক্ষণ করেন। এই ধানের বীজ ১২টন বিক্রি করেন। যা ৫ লক্ষ টাকায় বিক্রি করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেন। তিনি আরো বলেন, এ জাতের ধানের ফলন ভারতীয় স্বর্ণাজাতের চেয়ে ভাল এবং রোগবালাই অনেক কম।