হোম » সারাদেশ » চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে রিক্তা ফিরে পেল তার সুখের সংসার এবং জিহাদুজ্জামান পেল পিতৃস্নেহ।

চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে রিক্তা ফিরে পেল তার সুখের সংসার এবং জিহাদুজ্জামান পেল পিতৃস্নেহ।

মোঃতারিকুর রহমান চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি: চুয়াডাঙ্গা সদর থানাধীন কুশাডাঙ্গা গ্রামের মহাসিন আলী মোল্লার মেয়ে মোছাঃ রিক্তা খাতুন (৩৫) এর সাথে বিগত ১৭ বছর পূর্বে ইসলামী শরিয়া মোতাবেক মোঃ শাহিন আলী (৩৮) সাথে বিবাহ হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ১টি পুত্র সন্তান মোঃ জিহাদুজ্জামান (১৩) জন্মগ্রহণ করে। বিয়ের পর থেকে রিক্তা খাতুনের স্বামী শাহিন আলী ০২ দুই লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবীতে রিক্তাকে শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। রিক্তার পিতা তার মেয়ের সুখের জন্য শাহিন আলীকে সাধ্যমত নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ও আসবাবপত্র দেয়। শাহিন আলী মাঝে মধ্যে নেশা করে বাড়ীতে এসে রিক্তাকে শারিরীকভাবে নির্যাতন করে। একপর্যায়ে রিক্তা খাতুনের স্বামী ও শাশুড়ী পরস্পর যোগসাজসে রিক্তা ২ লক্ষ টাকা যৌতুকের দাবীতে অমানুষিক নির্যাতন করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দিলে সে তার বাবার বাড়ি চলে আসে। বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে মিমাংসার চেস্টা করে মিমাংশা করতে ব্যার্থ হয়।
রিক্তা খাতুন তার স্বামী সংসার ফিরে পাওয়ার জন্য পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গার নিকট একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা উক্ত অভিযোগটি তার কার্যালয়ে অবস্থিত “উইমেন সাপোর্ট সেন্টার” এর মাধ্যমে অদ্য ২৩.০৬.২০২২ খ্রিঃ উভয় পক্ষকে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে হাজির করেন। উইমেন সাপোর্ট সেন্টারের মাধ্যমে জনাব মোঃ জাহিদুল ইসলাম, বিপিএম-সেবা পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা র প্রত্যক্ষ মধ্যস্থতায় রিক্তা খাতুন ও শাহিন আলী সব বিবাদ ভুলে তাদের একমাত্র পুত্র সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে সংসার করতে সম্মত হয়। চুয়াডাঙ্গার পুলিশ সুপারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধায়নে রিক্তা খাতুন ফিরে পেল তার সুখের সংসার, ছেলে মোঃ জিহাদুজ্জামান ফিরে পেল পিতৃ-মাতৃস্নেহ।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!