প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৬, ২০২৬, ৩:১১ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৪, ২০২২, ৬:০৩ অপরাহ্ণ
নার্সিংএ চান্স পেয়েও পড়াশোনা চালানো নিয়ে দু চিন্তায়- মাসুমা

রাকিবুল হাসান রাকিব, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ দারিদ্র অভাব হার মানাতে পারেনি জয়পুরহাটের মেয়ে মাসুমা আন্মিকে। সবকিছু পেছন ফেলে পড়ালেখা করে খুলনা নাসিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারবেন কি না তা নিয়ে দুচিন্তায় রয়েছে জয়পুরহাট শহরের চিত্রাপাড়ার দিনমজুর রুবেল মর্তুজার মেয়ে মাসুমা আন্নি।
গরীব দিনমজুরের মেয়ে হলেও থেমে থাকেননি তার পড়ালেখা। এসএসসি ও এইচএসসিতে পেয়েছেন জিপিএ-৫। ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের খুলনা নাসিং অ্যান্ড মিডওয়াইফারি কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। আন্নির বাবা দিনমজুর আর মা গৃহিণী। এক ভাই এক বোনের মধ্যে আন্নি বড়। সে জয়পুরহাট কালেক্টরেট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০১৯ সালে এসএসসি ও জয়পুরহাট সরকারি কলেজ থেকে ২০২১ সালে এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়।
পরিবার সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আন্নির বাবা। বসতবাড়ি ছাড়া তাদের আর কোন জমিজমা নেই। ছেলেমেয়ের লেখাপড়ার জন্য বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। মাসুমা আন্নি বলেন, বাবা দিনমজুরের কাজ করে পড়াশোনা খরচ দিয়েছে। শুধু বাড়িটা ছাড়া আর কোন জায়গা-জমি নেই। আমি নাসিংএ চান্স পাওয়ায় বাবা মা অনেক খুশি, কিন্তু কলেজে পড়ার খরচ নিয়ে তারা খুবই চিন্তিত।
মাসুমার বাবা রুবেল মর্তুজা ও মা খাতিজা বলেন, মেয়ে নাসিং কলেজে চান্স পাওয়ায় আমরা খুশি। আমরা গরিব মানুষ। জায়গা-জমি নেই। দিনমজুরি করে কীভাবে মেয়ের লেখাপড়া করাব? তাই আমাদের দিকে কেউ যদি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতো তাহলে আমরা মেয়েটাকে পড়াতে পারতাম।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.