প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৭:২৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৩, ২০২২, ১২:২৮ পূর্বাহ্ণ
রাবি শিক্ষকদের গবেষণা ৯ টি মৎস্যজাত দ্রব্যের প্যাকেজিং উদ্ভাবন

আবু সাঈদ সজল, রাবি: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর অর্থায়নে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ফিসারীজ বিভাগের একদল গবেষকের উদ্যোগে “ ডেভেলপমেন্ট অব ফিস- বেইজড ফুড প্রোডাক্ট’স এন্ড এক্সটেনশন অব শেল লাইফ টু ইনহেন্স নিউট্রিশনাল সিকিউরিটি” শীর্ষক উপ প্রকল্পের অধীনে ৫ ধরনের মোট ৯ টি মৎস্যজাত দ্রব্য এবং এর উপযুক্ত প্যাকেজিং উদ্ভাবন করা হয়েছে। রোববার (১২ জুন) বেলা ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারীজ বিভাগের ওয়ার্কশপ রুমে একটি ‘রিসার্চ ফাইন্ডিং’ সেমিনারের মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়। সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয় স্যুভেনির শপে আনুষ্ঠানিকভাবে এই মৎস্যজাত দ্রব্যে বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার।
তিন বছর ব্যাপী এই গবেষণায় মুখ্য গবেষক হিসেবে ছিলেন ফিশারীজ বিভাগের প্রফেসর ড. মো. তারিকুল ইসলাম, সহ-গবেষক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড. মো. ইয়ামিন হোসেন ও ড. সৈয়দা নুসরাত জাহান। চলমান এই উপ-প্রকল্প তিনটি উদ্যেশ্য নিয়ে কাজ করছে। তারমধ্যে সাধুপানি ও সামুদ্রিক মাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য তৈরি করা, মডিফাইড এটমোস্ফিয়ার প্যাকেজিং করে বিভিন্ন তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করে এসব দ্রব্যের গুণাগুণ ও স্থায়িত্বকাল নির্ণয় করা, প্যকেটজাত এসব মৎস্যদ্রব্য স্বল্প পরিসরে বিক্রি করার মাধ্যমে ভোক্তাদের গ্রহণযোগ্যতা নির্ণয় করা। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, তেলাপিয়া ও টুনা ফিশ বলের স্থায়িত্বকাল ১৬ ও ১৮ দিন, পাঙ্গাস ও ম্যাকেরেল উভয় ফিশ সসেজের স্থায়িত্বকাল ২৫ দিন, ব্যাটারড এন্ড ব্রেডেড তেলাপিয়া ও হোআইট স্নাপার ফিশ উভয়ের স্থায়িত্বকাল ১৬ দিন, সারডাইন ফিশ মেরিনেডসের স্থায়িত্বকাল ৩০ দিন , তেলাপিয়া ও টুনা ক্র্যাকার্সের স্থায়িত্বকাল ৪ মাস।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় এই উপ-প্রকল্পের আওতায় উদ্ভাবিত টেকনোলজিসমূহ আগ্রহী উদ্যেক্তাদের সহায়তার মাধ্যমে দেশে মৎস্যজাত এসব দ্রব্য উৎপণ্য করা এবং উপযুক্ত মডিফাইড এটমোস্ফিয়ার প্যকেজিং (ম্যাপ) এর মাধ্যমে ভোক্তাদের নিকট পৌছে দেয়া । এতে করে ভোক্তারা তাদের চাহিদা মাফিক উচ্চগুণাগুণ সম্পন্ন ভ্যালু-এডেড দ্রব্য ক্রয় করতে পারবে বলে আশা করেন এই গবেষক দল।
সেমিনার অনুষ্ঠানে ফিশারীজ বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. এম মনজুরুল আলমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. গোলাম সাব্বির সাত্তার, বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর ড. চৌধুরী মো. জাকারিয়া, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম প্রমুখ।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.