প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১৪, ২০২৬, ৩:২৪ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১১, ২০২২, ১২:৪৮ অপরাহ্ণ
যশোরে পরকীয়ায় বলি হলেন লাভলু, ডিবি পেয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য

যশোরের খোলাডাঙ্গায় পরকীয়ার কারণে স্বামী লাভলুকে হত্যা করে রেললাইনের পাশে ফেলে রেখেছিলো স্ত্রী। আর এ হত্যার সহযোগিতা করেছে তার প্রেমিক ও ছেলে। ডিবি পুলিশ লাভলুর স্ত্রীকে হেফাজতে নিয়েছে। সাথে তার ছেলে সাথিলকেও। কিন্তু পালিয়ে গেছে পরকীয়া প্রেমিক। তাকে খুজতে ডিবির অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে, হেফাজতে নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করলেও হত্যার রহস্যের বিষয়ে পুলিশ স্পষ্টভাবে কিছুই বলে নি। পুলিশের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, শুক্রবার সকালে ট্রেন লাইনের পাশ থেকে লাভলুর ক্ষত বিক্ষত মরদেহ উদ্ধারের পর থেকেই পুলিশ ও আইনশৃংখলা বাহিনীর একাধিক টিম রহস্য উদঘাটনে কাজ শুরু করে। বিশেষ ভাবে ডিবির ওসি রুপণ কুমার সরকারের নেতৃত্বে একটি টিম তদন্ত শুরু করেন। এসআই মফিজুর রহমানের নেতৃত্বে একটি টিম শুক্রবার দিনব্যাপী ওই এলাকায় অভিযান চালায়। চলে একের পর এক জিজ্ঞাসাবাদ। এক পর্যায় লাভলুর স্ত্রী ও ছেলেকে তারা হেফাজতে নেন।
এদিকে, ওই এলাকায় যেয়ে অন্তত ১০ জনের সাথে কথা বলে জানা যায়, লাভলুর স্ত্রীর সাথে এক জুয়েলারী ব্যবসায়ীর পরকীয়া সম্পর্ক ছিলো। ওই প্রেমিককে কেন্দ্র করে সংসারে মনোমালিন্য চলছিলো। যার বিরোধেই লাভলুকে স্ত্রী ,তার ছেলে ও প্রেমিক পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে লাশ ফেরে রেখেছিলো রেললাইনের পাশে। এ বিষয়ে ডিবি পুলিশের ওসি রুপণ কুমার সরকার জানান, তাদের তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। চাঞ্চল্যকর বেশ কিছু তথ্য তারা পেয়েছেন। যা এখনি বলা যাচ্ছে না। তবে, স্ত্রী ও ছেলেকে হেফাজতে নেয়ার বিষয়টি তিনি স্বীকার করেন।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে লাভলু কাজ শেষে বাড়িতে গিয়ে গোসল, খাওয়া দাওয়া শেষ করে পাশের একটি চায়ের দোকানে যান। ওই রাতে তার আর খোঁজ পাওয়া যায়না। শুক্রবার সকালে রেললাইনের পাশে লাভলুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাভলুর মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে হত্যার দায় চাপানো হয় প্রতিপক্ষের ঘাড়ে। এরপর বেরিয়ে আসে পরকীয়ার কাহিনী। নিহত লাভলু একই এলাকার মধ্যেপাড়া কলোনীর আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি আফিল গ্রুপে চাকরি করতেন।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.