
মোছা: লিপি জানান, বিভিন্ন সময়ে লাঠি, তরকারি নারার হাতল, গরম ইস্ত্রি দিয়ে ছ্যাক ও কিল ঘুষি মারে। আমি কাউকে কিছুই বলতে পারিনা। কাউকে কিছু বল্লে আমাকে নানা ভাবে হুমকী দিতো খালাআম্মা। ভুক্তভোগীর বড় বোন মোহসিনা সুমি বলেন, আমার বোন কোনো ভুল হলেই মারধর করতো। কয়েকদিন আগে আমার বোনকে টয়লেটে আটকে রেখে নির্যাতন করে। কিছু হলেই নির্যাতন চালাতো। আমি পাসের একটি বাড়ীতে কাজ করতাম কিন্তু আমাদের সাথে দেখা করতে দিত না। আমরা দেখা করতে আসলে ভেতরে ঢুকতে দিত না। নির্যাতনের কথা না বলার জন্য ভয় দেখানো হতো। এলাকাবাসীর মুখে শুনতে পেরে আমি এখানে এসেছি। পরে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে শুক্রবার পুলিশ লিপিকে উদ্ধার করে।
সিরাজগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তদন্ত মো: সাজ্জাদ হোসেন জানান, ইতিমধ্যে নির্যাতনের শিকার মেয়েটিকে পুলিশ উদ্ধার করেছে। উদ্ধার করে পুলিশ শুক্রবার দুপুরে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে প্রথমিক চিকিৎসার দেওয়া হয়েছে। তার শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন পাওয়া গেছে। নির্যাতিত শিশুটির পরিবার থানায় অভিযোগ করেছে। আর এ অভিযোগে জুথি খাতুন নামে গৃহকর্ত্রী কে আটক করা হয়েছে। বিষয়টি আরো ভালো ভাবে খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।