প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ৩:১৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ মে ২৫, ২০২২, ৫:৫৩ অপরাহ্ণ
মা-ছেলে হত্যা মামলার মুল আসামী র্যাবের হাতে আটক-২

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলায় চাঞ্চল্যকর মা-ছেলের হত্যার ঘটনার চারদিন পর মুলহোতা উকিল বাবা জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়াল (২৮), ও আপন দেবর চান মিয়া (৪৩ কে আটক করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র্যাব-১৪। বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ান র্যাব-১৪ কতর্ৃক প্রেস ব্রিফিং এ ক্লুলেস মা ও শিশু হত্যা মামলার দুই আসামীকে গ্রেফতার সম্পর্কে ব্রিফিং করেন।র্যাব ১৪, সিপিসি-১ জামালপুর ক্যাম্পের স্কোয়াড্রন লিডার (কোম্পানি কমান্ডার) আশিক উজ্জামান ও স্কোয়াড কমান্ডার সহকারী পুলিশ সুপার সবুজ রানা জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে পূর্বপরিকল্লিতভাবে হাফসা আকতার হারেনা (২৭) ও তার ৫মাস বয়সের শিশুকে নির্মমভাবে গলাকেটে হত্যা করে। উক্ত ঘটনা নিয়ে ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
র্যাব ১৪ জামালপুর ক্যাম্পের প্রতিনিধি উক্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ও ছায়া তদন্ত শুরু করেন। পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রযুক্তি ব্যবহার আসামীরা পালানোর চেষ্টাকালে উকিল বাবা জাকির হোসেন ওরফে জুফিয়াল (২৮) জামালপুর জেলার বকশিঞ্জ উপজেলা থেকে গত ২৪ মে দুপুর ১২টার দিকে আটক করে। আটককৃত জুফিয়ালের তথ্যের ভিত্তিতে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বোয়ালমারী গ্রাম থেকে আপন দেবর চান মিয়া (৪৩) কে আটক করে। আটককৃত জুফিয়াল রৌমারী উপজেলার ওকরাকান্দা গ্রামের গোলাম শহিদের ছেলে ও একই গ্রামের বাহাদুরের ছেলে চান মিয়া। প্রেস ব্রিফিং শেষে আটককৃত আসামীদের রৌমারী থানায় হস্তার করেন।প্রসঙ্গত, গত ২১ মে ভোররাতে কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার রৌমারী সদর ইউনিয়নের নতুনবন্দর হাজিপাড়া এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ ও পাশেই শিশুরটির মা হাফসা আকতার হারেনাকে গলাকাটা অজ্ঞান অবস্থায় দেখতে পায় স্থানীয়রা। পরিবারের লোকজন হাফসাকে উদ্ধার করে রৌমারী হাসপাতালে ভর্তি করা হলে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎিসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করলে পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরন করেন। এ ঘটনায় হারেনার পিতা বাদী হয়ে রৌমারী থানায় একটি অজ্ঞাত হত্যা মামলা দায়ের করেন। ঘটনার চার দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ মামলার কোন ক্লু ও আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি। অপর দিকে ২২ মে আসামীদের গ্রেফতারের ও দৃষ্টান্তমুলক শান্তির দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও থানা ঘেরাও করে রৌমারীবাসী।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.