
অথচ বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ স্থানান্তরের বিষয়ে কোন কিছুই জানেন না উপজেলা সেচ কমিটি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কর্তাব্যক্তিরা। তাহলে সংশ্লিষ্ট সেচ কমিটি ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২'র অনুমতি ও সরকারি লিখিত আদেশ ব্যতিরেকে কিভাবে শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদকের ভাই পরিচালক জাকারিয়ার মাধ্যমে স্থানান্তরিত হলো কৃষি সেচের এই বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগটি?
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) সরজমিনে জানা যায়, কৃষি সেচের বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিজ কর্তৃৃক স্থানান্তরের কোন সুযোগ নেই। কেননা একটি সেচের বোরিং স্থাপন ও বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে চাইলে আগ্রহী কৃষককে আইনের ব্যাড়াজালে বন্দী থেকে মাসের পর মাস ও বছরের পর বছর ঘুরতে হয় সংশ্লিষ্ট অফিসে। কিন্তু কোনমতেই মেলেনা নিয়মের বাইরে কৃষি সেচের অনুমোদন ও বিদ্যুৎ সংযোগ। তবে সেচ নীতিমালার আলোকে জরিপ অনুযায়ী কৃষি সেচ সংযোগ মিললে সেচ কমিটি কর্তৃক অনুমোদিত ও নির্ধারিত দাগের জমির ভিতর সেচের বোরিং ও মটরে বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন করতে হয়।
অনুমোদিত স্থানের বাইরে বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ স্থাপন ও স্থানান্তর সেচ নীতিমালাতে স্পস্টভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। উপজেলা সেচ কমিটির একটি সুত্র জানায়, কোন সময় বোরিং ও বিদ্যুৎ সংযোগ স্থানান্তরের প্রয়োজন দেখা দিলে তার যথাযথ কারণ উল্লেখ করে উপজেলা সেচ কমিটির বরাবর আবেদন করতে হয়। আর আবেদন করা হলে সেচ কমিটি পুর্বের ন্যায় তাদের প্রতিনিধি দিয়ে পুনরায় জরিপ করে জরিপ প্রতিবেদন দাখিল করলেই তখন প্রতিবেদনের আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহন করে থাকেন সেচ কমিটি ও বিদ্যুৎ অফিস।
সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর সাবেক পরিচালক জাকারিয়া হোসেন বলেন, আমি পরিচালক আমার ছোট ভাই ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেছি। বৈধভাবে সেচের লাইন স্থানান্তর করা হয়েছে। এখানে কোন অনিয়ম হয়নি।
শিয়ালকোল ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন, জেলার সব স্থানে এভাবেই সংযোগ দেওয়া হচ্ছে। এতে কোন সমস্যা নেই। এ ব্যাপারে জেনারেল ম্যানেজার অখিল কুমার সাহা বলেন, নিয়মের বাইরে অন্যত্র কৃষি সেচের বোরিং এবং বিদ্যুৎ সংযোগ স্থানান্তরের কোন সুযোগ নেই। তবে এমন ঘটনা সংঘটিত হয়ে থাকলে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আইন অনুযায়ী তদন্তপুর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনসহ স্থানান্তরিত সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হবে।